
ডেস্ক নিউজঃ
নড়াইলের নড়াগাতী থানায় নিখোঁজের বিষয়ে অভিযোগের এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূ নাজমা বেগমের (৩৮)। চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি নিখোঁজ হন এবং পরদিন ১২ সেপ্টেম্বর তাঁর স্বামী তরিকুল ইসলাম থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীকে খুঁজে পেতে এবং তিনি কোনো বিপদে আছেন কি না, তা জানতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। কেউ তাঁর সন্ধান পেলে ০১৭২১-০৫৫৮০৫ নম্বরে অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন স্বামী তরিকুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তরিকুল ইসলাম নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার টোনা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্ত্রী নাজমা বেগম মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার হোগলাডাঙ্গা গ্রামের সামছুল আলম মিয়ার মেয়ে। অভিযোগে তরিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান নাজমা। এ সময় তিনি নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বাড়িতে রেখে যান। সঙ্গে নিয়ে যান নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং মেয়ের আনুমানিক তিন ভরি স্বর্ণালংকার, যার বাজারমূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, নাজমা মাঝেমধ্যে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁর আচরণ ও চলাফেরায় পরিবর্তন দেখা যেত। বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি পরিবারের সদস্যরা। পরে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে নড়াগাতী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তরিকুল ইসলাম। বর্তমানে নাজমা কোথায় আছেন, কী অবস্থায় আছেন কিংবা কোনো বিপদের মধ্যে পড়েছেন কি না, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁর স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা।
এ বিষয়ে নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হোসেন আলী বলেন, “শুনেছি, নিখোঁজ নারী মানসিক ভারসাম্যহীন। পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। তাঁর সন্ধান পাওয়া গেলে পরিবারকে জানানো হবে।”