বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

ফেলানী হত্যার ১৪ বছর পূর্ণ হলেও বিচার হয়নি : জেএসএফ বাংলাদেশ

হাকিকুল ইসলাম খোকন,নিউইয়র্কঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২১৫ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

জাতীয় সম্মিলিত ফোরাম (জেএসএফ ) বাংলাদেশের পক্ষে হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এক বিবৃতিতে বাপসনিউজকে জানিয়েছেন, ২০১১ সালের ৭ই জানুয়ারি কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলন্ত নিথর ফেলানীর লাশ দেখে পুরো পৃথিবী স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল অথচ শেখ হাসিনার বুক কাঁপে নাই। বিএসএফ অথবা ভারত সরকার অনুশোচনা বোধ করে নাই। এরকম বন্ধু আমাদের প্রয়োজন নাই। ভারত সরকারকে বুঝতে হবে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ তাদের গোলাম হতে পারে কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নয়। আমরা শেখ হাসিনার গদি উল্টে দিয়েছি এবং ভারতের গোলামির জিঞ্জির ছিন্ন করেছি।

২০১১ সালে নিজ দেশে আসার জন্য ওই বছরের ৭ জানুয়ারি ভোর ৬টার দিকে ভারতের কাঁটাতার বেয়ে আসতে থাকে সে। দালালের মাধ্যমে ফুলবাড়ির অনন্তপুর সীমান্তে মই বেয়ে কাঁটাতার টপকে পার হয় ফেলানীর বাবা। পরে ফেলানী কাঁটাতার পার হওয়ার সময় বিএসএফের গুলিবিদ্ধ হয় সে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আধা ঘণ্টা ধরে কাঁটাতারের ওপরই ছটফট করতে থাকে সে। পরে সেখানে ঝুলন্ত অবস্থাতেই নির্মম মৃত্যু হয় কিশােরী ফেলানীর।

ফেলানী হত্যাকা-ের কারণে গণমাধ্যমসহ বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ভারত। পরে বিএসএফের বিশেষ কোর্ট দুই দফায় বিচারিক রায়ে খালাস দেয়া হয় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে।
জেএসএফ বলেছে আওয়ামী সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে দিনের পর দিন, ভারতের বিএসএফ সীমান্তে পাখির মতো হত্যা চালিয়েছে। রক্তপিপাসু আওয়ামী সরকার ভারতকে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড চালানোর ফ্রি লাইসেন্স দিয়েছিল বলেই একবারও প্রতিবাদ করে নাই। ভারত সরকার বন্ধুত্বের মিথ্যা আশ্বাস এবং লাশ হস্তান্তর ব্যতীত কিছুই করে নাই। তাই ফেলানী হত্যার দায় শুধু মাত্র বিএসএফ এর নয়, ফেলানী হত্যায় ভারত ও শেখ হাসিনা দায়ী। এর বিচার হবে হত্যার বদলে হত্যা। কোনো কিছুই হলো না ১৪টি বছর, এটি কি করে সম্ভব। নতুন সরকারের (অন্তর্বর্তী) কাছে আমরা ন্যায় বিচার চাই। আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin