বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ, শ্রেণী শিক্ষকের দায়িত্বে দপ্তরী!

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০৭ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

* সরকারি সম্পদের অপব্যবহার,
* শ্রেণীকক্ষে দপ্তরী কাম প্রহরীর প্রাইভেট বাণিজ্য।
* শিক্ষক শূণ্যতা না থাকলেও দপ্তরীকে দিয়ে পাঠ দান।
• স্কুলের ডিপ টিউবওয়েল থেকে স্থায়ী পাইপের মাধ্যমে প্রতিবেশী ভরত ঘোষ ও সত্যকাম ঘোষের বাড়ীতে পানির লাইন।
• স্থানীয়দের ধারনা অন্যাত্র বদলী করলেই স্কুলের পরিবেশ ফিরবে।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ১ নং ওয়ার্ডের বড় কালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। হিন্দু অধ্যুসিত এলাকায় তিন চতুর্থাংশ শিক্ষার্থীই হিন্দু
তাই অনেকে মুখ খুলতে চায়না ভয়ে। প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরীসহ শান্তনা বোস, রুপালী সুত্রধর, তমা ঘোষ ও প্রিয়াংকা ঘোষ ১ নং ওয়ার্ডের ৬ জন ষ্টাফ হওয়ায় খেয়াল খুশী মত ব্যবহার হচ্ছে এ স্কুল। অনুশাসনের কোন বালাই নেই। ১৫ এপ্রিল (বুধবার) সকাল ০৮ টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের শ্রেণী কক্ষে ফ্যান চলছে এবং দপ্তরী কাম প্রহরী অব্রত ঘোষ ভোর থেকেই শ্রেণী কক্ষে শুরু করেছেন প্রাইভেট বানিজ্য। সরকারী বিদ্যুৎ অপচয় করে এ প্রাইভেট বানিজ্য তিনি করে আসছেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়া ওই দপ্তরী স্কুলে টিফিনের পরে তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান বিষয়ের ক্লাস নেন নিয়মিত। প্রহরীর কোন দায়িত্বই তিনি পালন করেন না। পরবর্তীতে সঠিক সময়ে সকল শিক্ষক স্কুলে আসলেও রুপালী সুত্রধর আসেন নি। ১৩৫ জন শিক্ষার্থীর অনুকুলে ৭ জন শিক্ষক থেকেও দপ্তরীকে দিয়ে পাঠ দান শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার শামিল বলে মনে করেন অভিভাবক মহল ও স্থানীয়রা। একই ওয়ার্ডের ৬ শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারীতা বন্ধ ও শিক্ষার মান উন্নয়নে তাদের অন্যত্র বদলী একান্ত কাম্য বলে মনে করেন তারা।

এ দিকে ১ যুগেরও বেশী সময় ধরে স্কুলের টিউবওয়েলে মোটর লাইন সেট করে ব্যক্তিগত কাজ হাসিল ভরত ঘোষ ও সত্যকাম ঘোষ। তবে জানা গেছে ওই স্কুলের সাবেক সভাপতি অসিত ঘোষের নিকটাত্মীয় হওয়ায় এ সুযোগটি তিনি পেয়েছিলেন যা এখনো চলামন।

এছাড়া মিড-ডে মিল কর্মসূচির খাবার বিতরণে অনিয়ম, ৫ ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) নিতে ২০০ টাকা আদায় এবং বিদ্যালয়ের পুরাতন আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানান, স্কুলের সামনে দোকানে সরকারি জিনিসপত্র বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী বলেন, “শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রভাত চক্রবর্ত্তী দপ্তরীকে দিয়ে পাঠদানের বিষয়টি তিনি শিকার করে বলেন, টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) নিতে কোন টাকা নেওয়া হয়না এবং মিড ডে মিলটা শিক্ষার্থীর হাজিরা কম হলে পরবর্তী দিন সমন্বয় করা হয়। তবে টিউবওয়েলে প্রতিবেশীর মোটর লাইন অপসারনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। বিষয়টি তিনি এটিও ও টিওকে জানিয়েছেন কিন্তু কার্যকর হয়নি। সরকারী সম্পত্তি যথেচ্ছ ব্যবহারে যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা বলে জানান তিনি। বাকি অভিযোগ সত্য নয় বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, চলমান বৃত্তি পরীক্ষার কারনে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন। তবে শিঘ্রই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin