
নড়াইলে এমপি মাশরাফি বিন মুর্তজার বাড়ির সামনে খেলার মাঠ ও যাতায়াতের রাস্তার পরে অবৈধ ভাবে বালির ব্যাবসা করছেন কথিত ব্যাবসায়ি বিপ্লব মোল্লা।
১৯ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) বিকালে স্থানীয় এলাকাবাসীর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নড়াইল শহরের ঐতিহ্যবাহী জেলা গভমেন্ট বয়েজ স্কুলের খেলার মাঠের উত্তর পাশে এমপি মাশরাফির বাড়ির সামনের যাতায়াতের রাস্তা সহ মাঠের একাংশ জুড়ে বালি ফেলে সাইনবোর্ড লাগিয়ে বিপ্লব নামের এক ব্যাক্তি রমরমা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছে।
এতে করে যাতায়াতের রাস্তার পরে বালি ফেলায় যেমন ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে জনসাধারণ চলাচলে, আবার তেমনি মাঠের একাংশ বালির স্তুপ করায় আগত ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের বাঁধা গ্রস্ত হচ্ছে খেলা ধুলার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একধিক ব্যাক্তি সাংবাদিক দের অভিযোগ করে বলেন, এ মাঠে প্রতিদিন মায়েরা তার বাচ্চাদের নিয়ে আসে খেলা ধুলা করাতে। গত কয়একদিন হলো বিপ্লব নামের এক ব্যাক্তি স্থানীয় এলাকার প্রভাবশালী ছত্র ছায়ায় কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই প্রশাসনের নাকের ডগায় গায়ের জোরে এই ব্যাবসা শুরু করেছে কথিত বালি ব্যাবসায়ী বিপ্লব।
এবিসয়ে বালি ব্যাবসায়ী বিপ্লবের কাছে সরাসরি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সরকারি জায়গা আমি বালি ফেলে সাইনবোর্ড লাগিয়ে ব্যাবসা করছি এমনি এমনি না। সবকিছু ম্যানেজ করেই আটঘাট বেঁধে করছি।
কার অনুমতি বা কার নির্দেশে মাঠের একাংশ জায়গা সহ রাস্তা জুড়ে সাধারণ জনগনের ভোগান্তি ও বাচ্চাদের মাঠের পরে বালি ফেলছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি মাঠের একপাশে বালি ফেলেছি এখানে কারো অনুমতি বা নির্দেশ নেওয়ার দরকার হয়নি।
স্থানীয় এলাকাবাসী আরও একব্যাক্তি জানান, এই ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠটি খুবই শরনীয়। এ মাঠে আমাদের এমপি মাশরাফি বিন মুর্তজা অনুশীলন করেই আজ তিনি সারাবিশ্বের কাছে স্টার। যে কারনে এ মাঠটি বাচ্চাদের খুবই প্রিয়। বহু দুরদুরন্ত থেকে ছেলে মেয়েরা খেলতে আসে,দেখতে আসে। এমনকি এ মাঠের উত্তর পাশে রয়েছে পরপর দু দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষ্ঠান দুটি থেকেও শত-শত ছেলে মেয়েরা খেলা ধূলা করে।
তাই এলাকাবাসীর দাবি এ মাঠের থেকে বালির ব্যাবসা বন্ধ করে এবং জনসাধারণের জাতায়াতের রাস্তা পরিষ্কার করে বালি ব্যাবসায়ী বিপ্লবের বিরুদ্ধে আইনানুপ ব্যাবস্তা গ্রহনের দাবি জানান তারা।