বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কাছ থেকে দেখা ডাঃ কামরুল ইসলাম

সম্পাদকের কলামঃ
  • Update Time : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৩০ Time View

সম্পাদকের কলাম
মোঃ জিহাদুল ইসলাম, নড়াইল।

নিঃসন্দেহে ডাঃ কামরুল ইসলাম একজন মানবিক মানুষ। আামি অনেক কাছ থেকে তাঁকে দেখেছি, তাঁর সান্নিধ্যে থেকেছি বহু বছর। তারই করে দেওয়া পাথেয় নিয়ে ছেড়ে এসেছি বহু আগে। যোগাযোগ ও তেমন নেই। কিন্তু শ্রদ্ধাবোধ ও ভালবাসা ওই লোকটির প্রতি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। কালের বিবর্তনে স্যার এখন মহিরুহুতে রূপ নিয়েছেন। ব্যস্ত সময় পার করছেন তাই কথা বলা হয়ে ওঠে না।
৯০ এর দশকে আমি তখন শ্যামলীর মারজুল ইসলামি হাসপাতালে ল্যাবে চাকুরী করতাম। স্যার ওখানে চেম্বার করত। লসে থাকায় এক সময় পুরা হাসপাতালের দায়িত্বটাই তাকে দেওয়া হলো এবং ক্রমান্বয়ে অগ্রগতি লাভ করলো। স্যারের এক ভাই প্রায় আমার নামের কাছাকাছি নাম জাহিদুল ইসলাম (ডাক নাম মৌলি) বাংলাদেশ অক্সিজেন কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। হঠাৎ করে সেই ভাইয়ের ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। অনেকবার তার বিভিন্ন পরীক্ষা আমি করেছি এমনকি আমার রক্তের সাথে তার মিল থাকায় কয়েকবার রক্তও দিয়েছি। স্যারের আম্মা কাকিমা ও জাহিদুল ভাই আমাকে খুব ভালবাসতো। বাসায়ও যাতায়াত ছিল প্রতিনিয়ত। জাহিদুল ভাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের টাটা মেমরিয়ালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও কাকিমাসহ পরিবারের সাথে আমি গিয়েছিলাম। কারণ যদি রক্তের প্রয়োজন হয় আমি সর্বদা প্রস্তুত। দুঃখের বিষয় ভাইকে বাঁচানো গেলনা। লাশ হয়ে ফিরতে হলো বাংলাদেশে। মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হলো, আমি কবরে নেমে নিজ হাতে তাকে শুইয়ে দিলাম।
এক সময় আমি মারজুলের চাকুরীটা ছেড়ে দিলাম। কামরুল স্যার আমাকে ডেকে একটি ল্যাবের সমস্ত ইন্সট্রুমেন্ট কিনে দিয়ে ঢাকার আমিন বাজারে ব্যসসা করার জন্য এ আর ডায়াগনস্টিক সেন্টার খুলে দিলেন। একদিন স্যার আমাকে ডাকলেন এবং বললেন আমি যদি কিছু মনে না করি একটা কথা বলবেন। আমি বললাম বলেন স্যার। স্যার বললেন, ওই ল্যাবটা তোমাকে দান করে দিলাম, ভবিষ্যৎ গড়ে নেও। আমি না নিতে চাইলে স্যার বললেন, মৌলী/ জাহিদুল মরার আগে বলে গেছে জিহাদ ভাইকে একটা পথ করে দিবেন। তখন আমি আর না করতে পারিনি। আমার অতি আপনজনেরা বিষটি জানে। কিন্তু এ বিষয়টি আজ আমি সারা বিশ্বকে জানাতে চাই। একটা মানুষ ও তার পরিবারের সকল সদস্য কেমন হলে বিনা স্বার্থে মানুষের পাশে এভাবে দাঁড়াতে পারে?

আজ ফেসবুকে চাঁদাবাজির ঘটনায় সেই মানুষটাকে যারা লাঞ্ছিত করেছে, এদের শরীরে মানুষের রক্ত আছে কিনা আমার সন্দেহ হয়। যে মানুষটা আজ পর্যন্ত কারোর ক্ষতির কারন হয়ে উঠেনি, শুধুই দিয়ে গেছেন দুহাত উজাড় করে, তাঁকে তোরা চিনলিনা হারামীর বাচ্চারা। ইহকাল ও পরকাল দু কালেই তোদের বিচার হবে ইনশাল্লাহ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin