বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নড়াইলে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণ ও প্রতারণার অভিযোগ 

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫
  • ২২২ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইল সদর উপজেলার আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায়ের বিরুদ্ধে বই বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ অভিযোগ তুলেছেন দিকদর্শন প্রকাশনীর নড়াইল জেলার সদ্য সাবেক মার্কেটিং প্রমোশন কর্মকর্তা বিল্লাল হুসাইন । 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার কাছ থেকে  শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায় ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। কথা ছিল, বিনিময়ে ওনার কলেজের ইন্টার ১ম ও ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে দিকদর্শন প্রকাশনীর ৪০০ পিচ বই  বিক্রি করে দেবেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও উনি মাত্র কয়েক পিচ বই বিক্রি করান। বই বিক্রি করতে না পারায় ওনাকে দেওয়া ১০ হাজার টাকা আমি ফেরত চাই। কিন্তু উনি টাকা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। এদিকে বই বিক্রি না হওয়ায় কোম্পানি আমাকে চাকুরি থেকে অব্যহতি দিয়েছেন। ওই শিক্ষকের কারণে আমি চাকরি হারিয়েছি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি চাই, সে যেহেতু বই বিক্রি করতে পারেনি, সেহেতু আমার থেকে নেওয়া টাকা আমাকে ফেরত দিক। 
তিনি আরো বলেন, এই শিক্ষক সুকৌশলে বিভিন্ন বই, গাইড কম্পানির সাথে চুক্তি করে টাকা হাতিয়ে নেন। 
এদিকে বই বিক্রির কথা বলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায় বলেন, ‘আমার কলেজটি প্রত্যন্ত এলাকায় হওয়ায় ধীরে ধীরে বই বিক্রি হচ্ছে। এবছর না পারি সামনে বছর বই চালিয়ে দেবো। কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নাই। 

তবে শিক্ষক হয়ে এভাবে গাইড বই বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার নিয়ম আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুত কুমার বলেন, এমন নিয়ম নেই৷ আমিও এমন কাজ করি না। ওই বই কোম্পানির প্রতিনিধি চাপাচাপি করেছেন, তাই টাকাটা নিয়েছি। 
আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেন  বলেন, বই বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওই শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin