বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ায় বৈদ্যুতিক মিটার বাবদ অতিরিক্ত অর্থ হাতানোর অভিযোগ প্রভাষকের বিরুদ্ধে!

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৯৮ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কলাবাড়ীয়া ইউনিয়নের আইচ পাড়া ও বেলেডাঙ্গা গ্রামে ৬১ টি বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপনে অতিরিক্ত অর্থ হাতানোর অভিযোগ উঠেছে দালাল প্রফেসর দিপংকর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে! স্থানীয় ভুক্তভোগীদের চাপে এলাকা ছেড়ে গোপালগঞ্জে থেকে কলেজে আসেন তিনি। এ ঘটনায় টাকা ফেরত পেতে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের নিকট ভুক্তভোগী ২ গ্রামের বাসিন্দারা গণস্বাক্ষরে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। দীপংকর বিশ্বাস উপজেলার আইচপাড়া গ্রামের মৃত সুবোধ বিশ্বাসের ছেলে ও উপজেলার মধুমতি কারিগরি কলেজের ইংরেজী প্রভাষক।

সরেজমিনে আইচপাড়া এলাকায় গেলে ভিডিও স্বাক্ষাতকারে মনোহর বিশ্বাসের ছেলে গনেশ বিশ্বাস, সঞ্জয় বিশ্বাসের স্ত্রী কনিকা বিশ্বাস, শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে সিদ্ধেশ্বর বিশ্বাস, কার্তিক বিশ্বাসের ছেলে পার্থ বিশ্বাসসহ অনেক এবং ফোনে বেলেডাঙ্গা গ্রামের রফিক শিকদারের ছেলে খালিদ শিকদার, মফিজ শিকদারের ছেলে ইমদাদুল শিকদার, ওসিকার শিকদারের ছেলে বসার শিকদার ও মনির শিকদার, হারুন মোল্যার ছেলে আবুল পুলিশ, কালামিয়া শিকদারের ছেলে এনামুল শিকদার, কাইউম মোল্যার ছেলে মিজবা মোল্যা জানায় সকলের কাছ থেকে ৫ হাজার করে টাকা নিয়েছে দীপংকর মাষ্টার (কল রেকর্ড সংরক্ষিত আছে)। ৫ হাজার টাকার কম দিলে তাদেরকে মিটার দেয়নি তবে এক প্রতিবন্ধী মহিলার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়েছেন। অভিযুক্ত দীপংকর বিশ্বাস বিদ্যুৎ অফিসের দালালীর স্বার্থে প্রভাবশালীদের হাতে রেখে বিগত সরকারের আমলে ২০১৯ সালে পল্লী বিদ্যুৎ শতভাগ করণের কাজে সম্পৃক্ত হয়ে এ টাকা হাতিয়ে নেন। ওই সময়ে প্রতি মিটারে সরকারী খরচ ৫৬৫ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও দীপংকর বিশ্বাস ৫/৬ হাজার টাকার নিচে কাউকে মিটার দেননি বলে জানার ভুক্তভোগীরা। সহজ সরল গ্রামবাসীকে নানাভাবে হুমকি ও কথার জালে ফেলে এ অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া আইচপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ এর সেকশন ফেজ দেওয়ার জন্য ও প্রতিটা গ্ৰহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে অনেক টাকা। অতিরিক্ত টাকা ফেরত না দিলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাবেন তারা বলে জানান।
এ বিষয়ে দীপংকর বিশ্বাসের সাথে কথা হলে প্রতি মিটারে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে অভিযোগকারীদের সাথে পূর্ব শত্রুতা থাকায় এমনটি তারা বলেছে বলে জানান। একজন ইংরেজি প্রভাষক হিসাবে দালালীতে আসার বিষয়ে জানতে চাইলে এলাকাবাসীর ওপর দ্বায় চাপিয়ে ভিডিও বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

এ বিষয়ে কালিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম বনিয়ার রহমান বলেন, রশিদের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত ফিস ছাড়া বেশী টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। এ ছাড়া ঘটনাটি ২০১৯ সালের এবং তিনি কালিয়ায় যোগদান করেছেন ২০২৩ সালে। তাই এ বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানান।

ইউএনও কালিয়া মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin