রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন
Title :
কালিয়ায় ১১ পুরিয়া গাঁজাসহ যুবক আটক, ১ বছরের কারাদণ্ড কালিয়ায় কুপনভিত্তিক মিড-ডে-মিল কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ডিপিইও জাহাঙ্গীর আলম কালিয়ায় এইচএসসিতে পাসের হার নিয়ে হতাশা! নড়াগাতীতে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিয়ায় কুপনভিত্তিক মিড-ডে-মিল চালুর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ১০ পিস ইয়াবাসহ আটক ব্যক্তির ৬০ দিনের কারাদণ্ড নড়াইলে ১২ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি আটক, মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা জব্দ কালিয়ায় প্রাইমারী স্কুলের ওয়াশ ব্লকের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত নড়াগাতীতে মাদক ও চুরিসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

আমার পোলাডারে যে গুলি কইরা মারছে আল্লাহ তার বিচার করবো

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: নিজাম উদ্দীন
  • Update Time : রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ৬৩৫ Time View

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: নিজাম উদ্দীন

আমার পোলাডারে যে গুলি কইরা মারছে আল্লাহ তার বিচার করবো। ছাএ আন্দোলনের ২য় দিন শুক্রবার ইয়ামিন (১৯) গার্মেন্টস থেকে হাফ বেলা ডিউটি করে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের চৌধুরী বাড়িতে গেলে বাড়ির সামনে নিহত ইয়ামিনের মা ইয়াসমিন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে বিলাপ করে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলছেন, আমার পোলারে লুইয়া প্রত্যেক দিন সকালে গার্মেন্টসে যাইতাম আহন কারে লইয়া যাইমু।
ইয়াসমিন বলেন,তার ২ ছেলে ইয়ামিন ও ইয়াসিন দুজনেই ঢাকার উওর বাড্ডায় এফ,এন,এফ ফ্যাশানে চাকরি করত।ঘটনার দিন শুক্রবার অর্ধেক বেলা কাজ করে বাসায় ফিরছিল। রাস্তায় গোলাগুলি হচ্ছে তিনি তা’ জানতেন না। প্রতিদিনের মত নিহত ইয়ামিন গার্মেন্টস থেকে দুপুরে নুরেরছালা নতুন বাজারের নিজ বাসায় ফিরছিলেন। রাস্তায় আসা মাত্রই গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন।
পরে পথচারীরা আহত ইয়ামিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। দুদিন নিখোঁজ থাকার পর ৩য় দিন তার পকেট থেকে গার্মেন্টস এর আইডি কার্ড পেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফোনে তার পরিবারকে জানান। তারা তখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান।
সেখানে সাতদিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শুক্রবারে মারা যান ইয়ামিন। নিহত ইয়ামিন চৌধুরীর মা আরও জানান, আমার ছেলের কোনো অপরাধ নাই। আমার ছেলেকে যে গুলি করেছে আল্লাহ তার বিচার করবেন। অভাবের তাড়নায় ইয়ামিনের মা ইয়াসমিন গার্মেন্টসে কাজ নেন। ছেলেরা তখন ছোট ছিল। তার স্বামী রতন মিয়া কোনো রকম কাজকর্ম করে সংসার চালাতেন। মাঝখানে তিনি ৩/৪ বছর জর্দানে চাকুরি করেছেন। দেশে এসে পুনরায় ছেলে সন্তানদের নিয়ে তিনি গার্মেন্টসে যোগ দেন। ছেলেকে হারিয়ে ইয়াসমিন বর্তমানে পাগল প্রায়। শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে ছেলের ছবি বুকে নিয়ে চেয়ে থাকছেন। তিনি অনবরত বিলাপ করছেন। তিনি তার ছেলে হত্যার বিচার চান আল্লাহ’র কাছে। সরকারের কোনো লোক এখন পর্যন্ত সাহায্য তো দূরের কথা কোনো খোঁজ খবরই নেয়নি। আমি আমার বুকের ধনের খুনের বিচার চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin