রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কো-অর্ডিনেটর মনোনিত আনসার উদ্দিন খান পাঠান

হাকিকুল ইসলাম খোকন,নিউইয়র্কঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫
  • ২১৯ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর) হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন খান পাঠান।বহু বঞ্চনার শিকার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন খান পাঠানকে অবশেষে দুই বছর মেয়াদে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থায় কো-অর্ডিনেটর হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।গত বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে আজ তাঁর নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।বাপসনিউজকে এ সংবাদ জানিয়েছেন মোঃনাসির ।

জারি করা প্রজ্ঞাপনের বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০০৮ এ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন খান পাঠান (বিপি ৬৫৮৬০১০০-৫৫)-কে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে ০২ (দুই) বছর মেয়াদে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় কো-অর্ডিনেটর হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে যেসব মামলা হয়েছে, তার তদন্তের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার। সংস্থাটির প্রধান পদ হচ্ছে কো-অর্ডিনেটর বা সমন্বয়ক পদ।সমন্বয়কের কাজ হলো তদন্ত সংস্থার সার্বিক কাজ তদারকি করা। ট্রাইব্যুনালের কার্যবিধি অনুসারে, মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের জন্য ‘নীতিগতভাবে দায়ী’ তদন্ত সংস্থা। আইনে বলা আছে, তদন্ত সংস্থাকে দক্ষভাবে পরিচালনার জন্য অন্য যেকোনো কাজ সম্পন্ন করাও সমন্বয়কের দায়িত্ব।এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।জানা গেছে, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে পুলিশের সংস্কার ও দায়িত্বশীল পদে থাকার কারণে পরবর্তী ক্ষমতাসীনদের দ্বারা চাকরি জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি প্রচণ্ডরকম নিগৃহীত হয়েছেন।বাংলাদেশ পুলিশের সুদর্শন -চৌকস ও সৎ কর্মকর্তা হিসেবে ২০২২ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। পুলিশ বিভাগের একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়াও দক্ষ ও সৃজনশীল শিক্ষক হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত এবং প্রচণ্ড জনপ্রিয়। বর্তমান বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা তার সরাসরি ছাত্র। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে পুলিশের সংস্কার ও দায়িত্বশীল পদে থাকার কারণে পরবর্তী ক্ষমতাসীনদের দ্বারা চাকরি জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি প্রচণ্ডরকম নিগৃহীত হয়েছেন। তার পেশাদারিত্ব ও সততার জন্য তারা তাকে সে সময় পুলিশ বাহিনী থেকে সরিয়ে দিতে পারেনি। অবসরের পর থেকে তিনি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও লেখালেখিতে ব্যস্ত ছিলেন। নেত্রকোনার পূর্বধলার কাজলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin