বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

বকশীস দিলে সেবা মেলে- কালিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ২৬৪ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত কয়েকজন নার্স ও আয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম, অর্থ আদায় এবং রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে প্রসূতি ওয়ার্ডে সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা এ অভিযোগ করেছেন।
সরেজমিনে হাসপাতালের ২য় তলার প্রসূতি ওয়ার্ডে গেলে খাশিয়াল গ্রামের সিয়াম শরীফের স্ত্রী নাজমিন বেগম, ঘড়িভাঙ্গা গ্রামের আরোজ আলীর স্ত্রী শাহানাজ বেগম, বড়নাল গ্রামের নাজমুলের স্ত্রী মলিনা বেগমসহ একাধিক ভুক্তভোগী ও স্বজনরা জানান ডেলিভারির সময় বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। ডেলিভারির সময় বিনা অনুমতিতে পাশ কাটা হয় এবং ডেলিভারি শেষে কর্তব্যরত নার্স ও আয়াদের ৪ টি বড় সাবান, দুই কেজি হুইল পাউডারসহ বিভিন্ন সামগ্রী দিতে হয়। এছাড়া আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বকশিশ হিসাবে দাবি করা হয়। দাবি অনুযায়ী অর্থ না দিলে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে হাসপাতালের ৩য় তলার ডিউটি রুমে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সদের নাম জানতে চাইলে সিনিয়র স্টাফ নার্স বিউটি বেগম তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং সাংবাদিকদের সাথে অশোভন আচারন করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ওই সময় প্রসূতি ওয়ার্ডে দায়িত্বে ছিলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স সেলিনা বেগম ও প্রীতি মজুমদার। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একই জায়গায় কর্মরত থেকে তারা বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত রয়েছেন।
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে সাধারণ রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নার্সদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মাদ শোয়াইব বলেন, “প্রসূতি ওয়ার্ডে অর্থ নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাইনি। বিষয়টি আগামী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আলোচনা করা হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin