বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নড়াগাতীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
  • ২৭৭ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

(গাছ বিক্রি, ভর্তি ফি আদায়, স্লিপের টাকায় গরমিল ও সংস্কার কজে অনিয়ম)

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার পাখীমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসমা খানমের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি থেকে শুরু করে ভর্তি ফি আদায়, স্লিপের টাকার হিসাবে গরমিল এবং সংস্কার কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের তিনটি সিরিস গাছ বিক্রি করা হয়। পরে ওয়াশ ব্লক নির্মিত স্থান থেকে আরও পাঁচটি মেহগনি গাছ বিক্রির অভিযোগ ওঠে। এসব গাছ বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের লিখিত অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের একটি ব্যবহারযোগ্য পানির ট্যাংকি সহকারী শিক্ষক শিল্পী সরকারের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলেও স্থানীয়দের দাবি।
১৩ মে (বুধবার) সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের অর্থ লোপাট ও অনিয়ম নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। সম্প্রতি অর্থ বণ্টন ও হিসাব নিয়ে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ তৈরি হলে বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আসে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হওয়ার কথা থাকলেও প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। দরিদ্র পরিবারের অভিভাবকদের কাছ থেকেও এ টাকা নেওয়ায় ক্ষোভ বিরাজ করছে এলাকায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের জাতীয় পতাকা মঞ্চের পাশে একটি বেদী নির্মাণে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা ভাউচারে দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি স্লিপের টাকার ব্যয় হিসাবেও ব্যাপক গরমিল রয়েছে বলে দাবি করেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম শুধু শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছে না, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আসমা খানম বলেন, “গাছ বিক্রির টাকায় বিদ্যালয়ের জন্য ফ্যান কেনা হয়েছে বললেও স্লীপের হিসাবেও ফ্যানের টাকা হিসাবে এসেছে।” তবে এ সংক্রান্ত কোনো রেজুলেশন তিনি দেখাতে পারেননি। পানির ট্যাংকির বিষয়ে তিনি বলেন, “চুরির আশঙ্কায় সেটি সহকারী শিক্ষকের কাছে রাখা হয়েছে এবং দ্রুত বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হবে।” তবে ভর্তি ফি আদায়, স্লী­পের টাকার গরমিল ও সংস্কার কাজের অনিয়মের অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে এটিও অহিদুজ্জামানকে ফোন দিলে ট্রেনিংয়ে আছেন বলে ফোনটি কেটে দেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পাননি। তবে বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। আগামী রোববার এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin