বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ায় আদালতের রায় উপেক্ষা করে সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৮৫৭ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাচুড়ী গ্রামে বিজ্ঞ আদালতের রায় উপেক্ষা করে সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী লতিফ মৃধার ছেলে ফয়েজ ও ইকবাল মৃধার বিরুদ্ধে। পাঁকা রাস্তার উত্তর পাশে ৩১ চাচুড়ী মৌজার আর এস খতিয়ান ১৩১, আর এস ৩৩৩৮ নং দাগের ১১ শতক ও ৩৩৪০ নং দাগে ৩২ শতক জমিসহ মোট ৪৩ শতক জমি
দীর্ঘ ৩০ বছর আগে নেওয়া দলিলমূলে খরিদ করে ফলজ গাছ লাগিয়ে ভোগদখলে আছেন ভুক্তভোগী শেখ আবুল হোসেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত মুনছুর শেখের ছেলে।
১৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগী শেখ আবুল হোসেন বলেন, বসতভিটার এই জমি দলিল সূত্রে ক্রয় করে দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত তিনি ভোগ দখলে আছেন। তার জমিসহ আরো অনেকের জমি থেকে মাটি কেটে জনগনের স্বার্থে রাস্তা করা হয়। অতঃপর ওই রাস্তার পাশে বনজ ও ফলজ গাছ লাগিয়ে ভোগ করে আসছেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি রাস্তার দক্ষিণ পাশে থাকা ইকবাল ও ফয়েজ মৃধা ওই জমি তাদের বলে দাবি করে এবং জোরপূর্বক গাছের নারিকেল নিয়ে যায়। এ বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগ দিলেও তারা শোনেনি। অতঃপর বিজ্ঞ আদালতে মামলা করে তিনি রায় পান। অথচ আদালতের রায়ও তারা না মেনে তরা স্ত্রীকে মারধরসহ বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

চাচুড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেলজার ভুঁইয়া, ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজ বিশ্বাস, অভিযুক্ত ইকবাল মৃধার আপন বড় ভাই সহিদ মৃধা, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ডহর চাচুড়ী গ্রামের নাজির মোল্যা ও অবঃ শিক্ষক মোঃ মোকসেদুল হক, এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয় নিয়ে পরিষদে বসা হলেও আবুল হোসেনের কোন জনবল না থাকায় সঠিক বিচার পাচ্ছেন না। প্রতিপক্ষরা শক্তিশালী হওয়ায় কোন রায় তারা মানছে না। আবুল হোসেন যাতে ন্যায্য বিচার পায়, সে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

এ দিকে অভিযুক্ত ইকবাল মৃধার ছেলে রিয়াজ মৃধা উপরোক্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আবুল হোসেন যে দাগের বিরুদ্ধে মামলা করে রায় এনেছেন ওটা নালিশি জমির দগ নয়। নালিশি জমি হচ্ছে ৩৩১৯ দাগের জমি। শুধু শুধু আমাদের হয়রানি করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin