বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নড়াইলে মাছের আড়ত থেকে ২০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৫৩ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার আলামুন্সির মোড় এলাকায় মাছের আড়ত থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন আড়তের ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতারা।

অভিযোগ রয়েছে, লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিলু শরীফ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে উক্ত টাকা নিয়েছেন। আড়তদারদের দাবি, ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গায় গড়ে ওঠা এই আড়ত থেকে কখনো খাজনা নেয়া হয়নি। অথচ চলতি বছর হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করা হয়েছে।
‘মায়ের ভান্ডার’ আড়তের স্বত্বাধিকারী ফারুক শেখ বলেন, ‘মিলু শরীফ লোক পাঠিয়ে খাজনা দাবি করেন, কিন্তু কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।’ একই অভিযোগ করেন একতা মৎস্য আড়তের রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস রবিন ও সুবল কুমার বিশ্বাস। তাদের দাবি, বিকাশ ও সঞ্জয় নামে দুজন আড়তদারের মাধ্যমে টাকা নিতে বাধ্য করা হয়েছে।ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যক্তিমালিকানাধীন এ আড়তে সাতজন আড়তদার ও শতাধিক মৎস্যচাষী কাজ করেন। প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হয়। আকস্মিকভাবে এই বিপুল অঙ্কের টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযুক্ত মিলু শরীফ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কারও কাছ থেকে টাকা নেইনি। পৌরসভার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আমার চাচাতো ভাই মাছ আড়তের ইজারা পেয়েছিলেন। আড়তদাররা টাকাটি আমার মাধ্যমে পৌরসভায় দিয়েছেন। আমি শুধু সমন্বয় করেছি।’

এ ব্যাপারে লোহাগড়া পৌরসভার প্রশাসক মিঠুন মৈত্র বলেন,‘গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাটবাজার ইজারার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। পৌরসভার আওতায় সাতটি হাটবাজার ইজারা দিয়েছি। এই সাতটি হাট নতুন করে সৃষ্টি হয়নি। আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত। ব্যক্তিমালিকানায় ইজারা দেয়া যায় কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে পৌর প্রশাসক মিঠুন মৈত্র বলেন, ব্যক্তিগত জায়গায় ইজারা দেয়ার সুযোগ নেই। সাতটি বাজারের ইজারার সার্বিক বিষয় উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এর বাইরে আমাদের কোনো ইজারা নেই। আলামুন্সির মোড়ের আড়ত থেকে ২০ লক্ষাধিক টাকা চাঁদাবাজির বিষয়ে বলেন, কে কোথা থেকে টাকা তোলেন; বিষয়টি বোঝা মুসকিল। আমাদের কাছে অভিযোগ আসলে, আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin