সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ,  অপসারণ দাবি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৭৮ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইল সদর উপজেলার ৩নং চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাবীবুর রহমানের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ এনছেন ইউপি সদস্যরা। এ বিষয়ে ওই পরিষদের ১১ জন সদস্য দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

অভিযোগ উল্লেখ আছে,  মোঃ হাবীবুর রহমান গত বছর নড়াইলে ছাত্রজনতার উপর হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর শ্রম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। তাই পেশি শক্তি খাঁটিয়ে সংখ্যাগরিষ্ট ইউপি সদস্যদের গুরুত্ব না দিয়ে বিধি লংঘন করেইচ্ছামত পরিষদের সকল কার্যক্রম পরিচালিত করছেন। 
রেজুলেশন পেনশন পূর্ণাঙ্গ না লিখে জোর পূর্বক হাজিরা স্বাক্ষর নেওয়া৷  ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের উন্নয়ন খাতের ১ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা দিয়ে  অফিসের ল্যাপটপ, চেয়ার, টেবিল, প্রিন্টার নতুন ক্রয় না করিয়া পুরাতন জিনিসপত্র মেরামত করিয়া ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন চেয়ারম্যান।

এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিতে মহিলা সদস্যদের সভাপতি করলেও তাদের ব্লাঙ্ক চেক বহিতে ও রেজুলেশনে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে ওই চেকের টাকা নিজে  উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। মাসিক সভা ও গ্রাম আদালতসহ অন্যান্য মিটিং ডাকেন না। রাজনৈতিক কারনে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায়  সেবা বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। 

নিজের বাড়ীর সামনের পুরাতন রাস্তাকে নতুন প্রকল্প দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেম চেয়ারম্যান এবং চালিতাতলা ও ফেদী হাট-বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বরাদ্দকৃত  ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাক কাজ না করে আত্মসাৎ করেছেন তিনি।
এ ছাড়া দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে সদস্যদের না জানিয়ে আদায়কৃত ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন ও অন্যান্য রাজস্ব আদায়ের টাকা তিনি নিজেই খরচ করেছেন এবং সদস্যদের সম্মানী ভাতার অংশও প্রদান করেননি। এমতাবস্থায় দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের অপসারণ দবি করেছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা।

এ বিষয়ে জানতে চন্ডিবরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত)  চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,আমার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ এনেছে সে গুলো আমি জানি না। আমি সকল ইউপি সদস্যদের দাবিদাবা মেনে নিয়েছি। উন্নয়ন সহায়তার কাজের ১২ লাখ টাকা দাবি করেছেন আমি তাদের সব টাকা দিয়ে দিয়েছি।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, এ বিষয়ে আজ একটা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin