বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ার পিরোলী বিলে দুই দশক পর বোনা আউশ আমন ধানের চাষ

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৭৯ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পিরোলী বিলে দীর্ঘ দুই দশক পর বোনা আউশ ও আমন ধানর চাষ হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি অফিসের সমন্বিত অনুপ্রেরণায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে অনেক প্রান্তিক চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। পিরোলী ও অভয়নগরের কিছু অংশ নিয়ে এ বিলের পরিধি বিস্তৃত। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর ওই বিলের প্রায় ৫০ ভাগ জমিতে বোনা আউশ ও আমন ধানের চাষ হয়েছে।

প্রান্তিক চাষীরা জানান, বিগত দিনে এই বিলে
বোরো ধান কাটা শেষ হলেই এক শ্রেনীর জেলেরা স্লুইসগেট ছেড়ে দেওয়ায় লবনাক্ত পানি ঢুকে বিল সয়লাব হয়ে যায়। এতে জমির উর্বরতা কমে গিয়ে
গো-খাদ্যের সংকটের পাশাপাশি দেশি প্রজাতির মাছ ধ্বংস হয়। লবণ পানি প্রবেশ না করানোর জন্য
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডক বারবার অবগত করলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

তবে চলতি মৌসুমে কালিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোর্শেদ শেখ এ বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুজ্জামান ও কৃষি অফিসারকে জানালে স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ নিতে অনুপ্রানিত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায়, বিলে পানি প্রবেশ না করাতে
অভয়নগর উপজেলার অংশের ৩ টি স্লুইসগেটের দায়িত্বে থাকা সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাসেম ও শুভরাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জহুরুল হককে বললে তারাও অনুপ্রানিত হন। অতঃপর পিরোলীবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কৃষকদের অনুপ্রাণিত করতে এলাকায় মাইকিং করা হয়ছে। এতে প্রান্তিক চাষীরা পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে অধিক মূল্যে আউস ও কুরমনীর বীজ কিনে বিলের প্রায় ৫০ ভাগ জমিতে চাষাবাদ করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় আগামীতে বোনা আউশ আমন চাষে চাষীদের আগ্রহ আরো বাড়বে বলে সচেতন মনে করেন।
এছাড়া লবনাক্ত পানি না ঢোকায় দেশীয় প্রজাতীর মাছ সংরক্ষিত হবে ও গো- খাদ্যের সংকট দূরীভূত হবে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin