বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

সরেজমিনে গিয়ে কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনিত ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৬১ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইভা মল্লিকের বিরুদ্ধে আনিত ঘুষ ও ডিলারশিপ বাতিলের হুমকি দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এর আগে গত মাসের ২৯ তারিখে এমনটি অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন মাউলী ইউনিয়নে আরাফাত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সার ও বীজ ডিলার জামিল আহমেদ। এ বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।
লিখিত অভিযোগে জামিল আহমেদ উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করে আসছেন। মাল গুদামজাম করার ক্ষেত্রে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়। কিন্তু প্রতি চালানের সময়ই কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইভা মল্লিক মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ না দিলে হেনস্তা করেন এবং ডিলারশিপ বাতিলের হুমকি দেন।
এবং ডিলারশিপ বাতিল করে মহাজন বাজার এলাকার সামিউল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ডিলারশিপ দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

তবে সরেজমিন গিয়ে জানা যায় মেসার্স আরাফাত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী শেখ জামিল আহমেদ নিয়মিত সার ও বীজ উত্তোলন করেন না এবং বন্টনের রেজিস্ট্রার আপডেট রাখেননা। এ ছাড়া প্রান্তিক চাষীদের সার না দিয়ে বাহীরে বিক্রি করে দেন। এমন অভিযোগের কারনে মোবাইল কোর্টে জরিমানার শিকারও হন তিনি।
এ দিকে মো শামিউল মোল্যার কাছে কৃষি কর্মকর্তা ঘুষ চেয়েছেন এমন কোন তথ্য প্রমান তিনি দেখাতে পারেননি এবং এ বিষয়ে নায়েব আলী ও অহিদুজ্জামান নামে দুইজন স্বাক্ষীর কথা বললেও তারা শামিউলের মুখে শুনেছে বলে জানায়।

এ বিষয়ে মহাজন বাজারের অপর সার ডিলার ফারিয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এবং কালিয়া উপজেলা ডিলারশীপ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মরফুদুল হাসান পলাশ বলেন, জামিল আহমেদ এবং সামিউল মোল্যা যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। জামির আহমেদ সরকারি নিয়ম না মানার কারণে প্রায় দুই বছর আগে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং নিয়ম না মেনে সার বিক্রয় করে স্বাক্ষর আনতে গেলে স্বাক্ষর না দেওয়া ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে। এছাড়া সামিউল অন্য ইউনিয়নের ভোটার সে কি ভাবে এ ইউনিয়নে ডিলারশীপ পাবে? একজন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বাজারে এসে জনসম্মুখে ঘুষ চেয়েছে এটা হাস্যকর ছাড়া আমার কাছে কিছু মনে হয় না।

এ বিষয়ে মহাজন বাজার কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফুল আলম ( ইয়ার আলী) বলেন, মেসার্স আরাফাত ট্রেডার্স যে মহাজন বাজারে আছে তাই তো জানতাম না। তাকে কখনও মাউলী ইউনিয়নের কৃষকদের নিকট কোন দিন সার বীজ বিক্রয় করতে দেখিনি। তিনি কোথায় সার বীজ বিক্রয় করে আমি জানি না। আর কৃষি কর্মকর্তা মহাজন এসে তার কাছে ঘুষ দাবি করেছেন এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কারণ তিনি যদি কোন বাজারে আসলে সভাপতিকে অবগত করেন। তবে শুনেছি সরকারি নিয়ম না মানায় সে জরিমানার শিকার হয়েছিল।

এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, প্রায় বছর দুই আগে এক কৃষকের অভিযোগে মেসার্স আরাফাত ট্রেডার্সে একটি মোবাইল কোট পরিচালনা করে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, এই বিষয়টি তিনি মনে রেখেছেন এবং তিনি প্রায়ই সার বিক্রয়ে অনিয়ম করেন, যখন নিয়ম মেনে সার উত্তালন ও বিক্রয়ের পরামর্শ দেওয়া হয় তখন তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং নিয়ম না মেনে সার বিক্রয় করার অপরাধে ১টি শোকজ করি, এই শোকজ করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেন। এ ছাড়া সামিউল নামে যে ব্যক্তি ঘুষের অভিযোগ করেছেন তাকে আমি চিনিনা। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin