বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

দীর্ঘ দুই যুগের নদী ভাঙন রোধে নড়াগাতী থানার চরমধুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরিপ।

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ২৬৭ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে নদী ভাঙনের করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত চরমধুপুর গ্রাম। একের পর এক ভিটেমাটি, ফসলি জমি আর স্বপ্ন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে শত শত পরিবার সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছে। শেষ আশ্রয়টুকুও চোখের সামনে নদীর পেটে চলে যাচ্ছে, অথচ প্রতিকারের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ ছিল না বহু বছর ধরে।

স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্ট আওয়ামী শাসনের অবসানের পর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী পুনর্গঠিত হয়ে নদী ভাঙন রোধে কার্যক্রম হাতে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় চরমধুপুর গ্রামের নদী তীর রক্ষায় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (২৮ জুন) সকালে নড়াইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী সায়েম রাশেদ জরিপ কাজ পরিচালনা করেন। তিনি নদীর গভীরতা নির্ণয়সহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। সায়েম রাশেদ জানান, ‘আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জরিপ প্রতিবেদন সাবমিট করা হবে। এরপরই ভাঙন রোধে সম্ভাব্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে।’

জরিপকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন কালিয়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান চৌধুরী, সদস্য মোল্লা রাসেল এবং ১০ নং পহরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মল্লিক মাহমুদুল ইসলাম। তারা বলেন, ‘দীর্ঘদিনের ভাঙনকবলিত এই গ্রামের মানুষের শেষ সম্বল রক্ষায় আমরা সবাই এক হয়ে কাজ করছি।’

চরমধুপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৬৫) বলেন, ‘দুই যুগ ধরে কতবার নদী ভাঙল, হিসাব নেই। শেষ যে ভিটেটা আছে সেটাও বাঁচবে কি না জানি না। এবার যদি কিছু হয়, তবেই শেষ আশাটুকু জিইয়ে থাকবে।’
এদিকে ভাঙনপ্রবণ এলাকাজুড়ে আতঙ্ক আর ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত টেকসই নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin