
ডেস্ক নিউজঃ
খুলনার তেরখাদা উপজেলার সাচিয়াদহ ইউনিয়নে হামলার শিকার হয়েছেন স্থানীয় বিএনপির কারাবরণকারী বর্ষীয়ান নেতা আব্দুল হক শিকদারের ভাইয়ের বাড়ীতে হামলা হয়েছে। ২৬ মে (রবিবার) তার ভাই অবসরপ্রাপ্ত এএসপি আবুল কালাম আজাদের নলিয়ারচর কদমতলা ব্রিজ সংলগ্ন গ্রামের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তার ভাইপো টমাস শিকদারকেও ১০/১৫ জন সন্ত্রসী ব্যপক মারপিট করে আহত গুরুতর করে। আব্দুল হক শিকদার নলিয়ারচর গ্রামের মৃত মোকলেছুর রহমানের ছেলে ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন কমিটির সদস্য।

স্থানীয় ও স্বজন সূত্রে জানা যায়, আওয়ামিলীগ সরকার পতনের পর ফ্যাসিষ্টদের নেওয়া বিশেষ সুবিধাভাগী মিজানুর মোল্লা ও হামিদ মোল্যাসহ অনেকে রাতারাতি দল বদলায়ে বিএনপি হয়ে যায় এবং আব্দুল হক শিকদারকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে তাদের নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
পরবর্তীতে, আবারও তাদের নেতৃত্বে আলী আজম মোল্যা, আকবার মোল্যা, ইমরুল সহ আরো ৩০ থেকে ৪০ জন মিলে তারেক, গাউস সিকদার ও জনীর উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে মারাত্মক জখম করে। আহতরা সবাই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, এলাকায় ভীতি প্রদর্শন করে আব্দুল হক সিকদারকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তারা। এ ঘটনায় স্হানীয় বিএনপি নেতারা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

আব্দুল হক শিকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের হাত ধরে শুরু থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে আমি সক্রিয় ভাবে জড়িত। বিনা উস্কানিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে ভয় ও রাজনীতি থেকে নিস্ক্রিয় করার জন্য আমার ভাইয়ের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ভাইপো টমাস শিকদারকে মারাত্মক ভাবে মারা হয়েছে এবং আমার বংশের ভাইদের প্রতি রাতের বেলা আক্রমণ করে অনেককে আহত করা হয়েছে। আসগার শিকদারের দোকানে হামলা করে লুটপাট করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুস্ঠ বিচার চেয়ে আইনের আশ্রয় নিব এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। আমার ইউনিয়নের মানুষের স্বার্থে ও বিএনপির স্বার্থে আমি জীবন দিতে প্রস্তুত।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর মোল্যার সাথে কথা হলে পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আব্দুল হক শিকদার এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ করেছে। এতে বাঁধা দেওয়ায় আমাদের লোকদের মারপিট করে গুরুতর আহত করেছে। হামিদ মোল্যার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় ঢাকা পাঠাতে হচ্ছে, আনোয়ারের চোখ হয়ত থাকবেনা। বাকিরা গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।