
ডেস্ক নিউজঃ
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বিলদুড়িয়া গ্রামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শাহ আমানুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন। ২৬ নভেম্বর বিকাল ৫ টার দিকে নিজ বাড়ীতে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন তিনি।

শাহ আমানুল্লাহ বলেন, গত ১৭/১১/২০২৪ ইং তারিখে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ও আরো কয়েকটি পত্রিকায় মুক্তিযোদ্ধা চাচার মৃত্যুর পর ভাতিজা হয়েছেন ছেলে শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। সংবাদটি ছিল একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

মুলতঃ আমার বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা এফ এম মশিউর রহমান মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় তার আবদার রক্ষা করতে ২০১১ সালে পরিবারের সকল সদস্যের সম্মতিতে মানবিক কারনে আমার ছেলে শাহ আবু সুফিয়ান সজীবকে দত্তক দেওয়া হয় এবং তার পড়ালেখার খরচ বহন করেন। ২০১৮ সালে তাঁর মৃত্যুয়ান্তে তার স্ত্রী ফাতিমা বেগম তাঁর ভাতার টাকা ভোগ করে আসছেন এবং আমার ছেলে শাহ আবু সুফিয়ান সজিব তার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুযোগ নেয় নি। এ ছাড়া আমার ভাইয়ের মৃত্যুর পর আমার ছেলের যাবতীয় কাগজের সংশোধন করে আমার নামই লেখা হয়েছে। অথচ এই মানবিক বিষয়গুলোকে মিথ্যা ও বিকৃত করে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ফলে আমার ও আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি ও আমার পরিবার উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ সময় আরো নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান, মুক্তিযোদ্ধা এফ এম মশিউর রহমানের স্ত্রী ফাতিমা বেগম, দত্তক নেওয়া আবু সুফিয়ান সজিব ও তার মা শারমিন আক্তার, চাচী ও ফুফুরা।