
শেখ মিলটন, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
কোনো ভাবেই থামছেন না স্বপ্নীল চৌধুরী সোহাগ।
একের পর এক সামাজিক উন্নয়মুলক কাজের ধারাবাহিকতা রেখেই চলছেন।বছর ঘুরলেই সামজিক উন্নয়নের চিত্র দেখা যায় তার জন্মস্থান নড়াইলে। শুধু নড়াইল নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের কল্যানে ছুটে চলছেন তিনি। সমাজের নিম্ন থেকে বৃত্তবান সকল শ্রেনী পেশার মানুষের বাস্তবিক জীবনযাত্রা খুব কাছ থেকেই দেখেছেন স্বপ্নীল চৌধুরী সোহাগ। সে থেকেই অসহায় ও কর্মহীন মানুষগুলোর প্রতি দূর্বলতা কাজ করে তার। সমাজ বির্নিমানেও কাজ করে চলেছেন। নীরবে নিবৃতে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে ছুটে চলা এক সৈনিক তিনি । দেখা যায় কিছুদিন আগে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জে ভয়াবহ

বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দিনের পর দিন সেখানে থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের পাশাপাশি উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ছিলেন এই মানবিক মানুষটি। কোনো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নয়, নিজের সক্ষমতা ও মানবিক জায়গা থেকে নিঃস্বার্থভাবে কাজগুলো করে আসছেন। কোনো দল বা কোনো রাজনীতির সপক্ষে কখনোই নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেননি।
ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন নই, স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিজেকে তৈরি করে আজ সফলতার দৃষ্টান্ত রেখেছেন সারাবিশ্বে। নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের উলা গ্রামে জন্ম স্বপ্নীল চৌধুরী সোহাগের। স্বপ্ন যুদ্ধে জয়ী এই যুবক যৌবনের ১৫ টি বছর মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে নিজের নাম লিখিয়েছিলেন বিশ্বদরবারে। গড়ে তুলেছেন ব্লু ড্রিম গ্রুপ নামে বড় প্রতিষ্ঠান।
ব্লু ড্রিম গ্রুপের ৬টি কম্পানিতে বর্তমানে ৪৮ টি আইটেম আছে এবং ১৩৬৯ টি ডিপো,ডিলার, সাব-ডিলার ও শোরুম রয়েছে এবং দেশের বাইরে রয়েছে ৫৩ টি শোরুম ও ডিলার সাব-ডিলার পয়েন্ট। ব্লু ড্রিম পোষাকের গুনগত মান ও বাহারী ডিজাইন মন কেড়েছে দেশ ও দেশের বাইরের ক্রেতাদের। প্রতিবছরজুড়ে বেড়েই চলছে ব্লু ড্রিমের ডিলার পয়েন্ট। ডিজিটাল এই যুগে নারী-পুরুষের বেকারত্বকে হার মানিয়ে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পিছনে কাজ করে যাচ্ছেন এই ব্যতিক্রমী মানুষটি।
বেকারত্ব দুর করনে ব্লু ড্রুিমের ডিলারের মাধ্যমে ও উদ্যেক্তাদের প্রতিনিয়ত সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন।
কম্পানির প্রশাসনিক গঠনতন্ত্রের প্রতি কর্মীরা আস্থা রেখে তাদের কাজকর্ম করে চলেছেন।বাংলাদেশের প্রথম কেনো বেসরকারি কম্পানি যেখানে প্রতিষ্ঠানের স্ট্যাফদের জন্য রেশন ও পেনশন প্রদান করে থাকে এবং প্রতিমাসে অনুষ্ঠানের আয়োজন কোরে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পোষাক কম্পানির মধ্যে ব্লু ড্রিমের শৃঙ্খলা ও ম্যানার আচার-আচরণ এমনকি ধার্মিক বিষয়গুলি চোখে পড়ার মতো।
ব্লু ড্রিম গ্রুপের ২০ % লাভের টাকা দিয়ে অসহায়ের সহযোগিতা, মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়ন ও এতিমখানা পরিচালনা ছাড়াও মেধাবী দরিদ্র স্টুডেন্টদের সহযোগিতা এবং গ্রামীন অবকাঠামো নির্মান কাজে ব্যয় করা হয়।
বাংলাদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ব্লু ড্রিম গ্রুপ ও গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপ্নীল চৌধুরী সোহাগের হাত ধরেই বদলে যাবে সমাজ, বিশ্বমঞ্চে মাথা উচু করে দাড়াবার অন্যতম উদাহরণ হবে ব্লু ড্রিম গ্রুপ।