বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নড়াইলে হিন্দু বাড়ীতে দুর্বৃত্তের হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ।

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩০৯ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের লোহাগড়া থানার কোটাকোল ইউনিয়নের মাইগ্রাম গ্রামে সুভাষ গোলদারের বাড়ীতে দুর্বৃত্তের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই পরিবারে ৪ টি গরু, নগদ টাকা স্বর্নলংকার লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। গত ০৫ আগষ্ট আওয়ামিলীগ সরকার পতনের দিন রাত ১২ টার দিকে এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানতে পেরে ওই রাতেই ৪ টি গরু উদ্ধার করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেন। সুভাস গোলদার ওই গ্রামের মৃত সুবোধ গোলদারের ছেলে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের মুন্সীরা বিগত দিনে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় আসার পর তারা আওয়ামিলীগের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে নিজেদের ফায়দা লুটতে থাকে এবং আওয়ামিলীগের পতনের সাথে সাথে তারা বিএনপির সেজে এ হামলা ও লুটপাট চালায়। এ ছাড়া সুভাষ গোলদারের গরু ফেরত পেতে তার স্বজন ডাঃ মিন্টু বিশ্বাসের মাধ্যমে দুর্বৃত্তদের দিতে হয়েছে ৪০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন তারা। তবে ডাঃ মিন্টু বিশ্বাস অর্থ লেনদেনের বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছন।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনার রাতে মুখ বাঁধা অবস্থায়
৩০/৪০ জন দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সুভাষ গোলদারের বাড়ীতে গিয়ে চড়াও হয়। এ সময় তার স্ত্রী স্বামীকে বাঁচাতে সামনে এগিয়ে আসলে তাকে আঘাত করে। এক পর্যায়ে তারা ঘরে ঢুকে নগদ ১৫ হাজার টাকা, তার মায়ের কানের দুল ও ৪ টি গরু লুট করে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। অতঃপর স্থানীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে গরুগুলি ফেরত পান। সুবাস গোলদার ও তার স্ত্রী তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিতসহ সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

পার্শ্ববর্তীতে মাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হানিফ ফকির, একই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শিকদার মফিজুর রহমান বলেন, বিজয়ের উৎসব পালনকালে আমরা জানতে পারি ওই গ্রামের মুন্সীদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী লুটপাট চালাচ্ছে। এ খবর পেয়ে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধি আজমল মুন্সীকে ঘটনাটি বলে আমরা অনেক লোক ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে গরুগুলি উদ্ধার করে তাদের হাতে তুলে দেই এবং হিন্দু পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা রাতে পাহারার ব্যবস্থা করেছি। তারা আরো বলেন, ওই এলাকার মুন্সীদের নেতৃত্বে এক দল সুবিধাবাদী কুচক্রী মহল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিএনপির কোন লোক এতে জড়িত নেই বলে তারা জানান।

এ দিকে সদ্য প্রবাসে যাওয়া কোটাকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবু বলেন, নিজেকে বিএনপির লোক পরিচয় দেওয়া আজমল মুন্সী বিএনপির লোক নয়। তবে ২০ বছর আগে সে বিএনপিতে ছিল। কিন্তু দুঃসময়ে সে নিজের স্বার্থ হাছিল করতে আওয়ামিলীগের পতাকাতলে থেকে দলের অনেক ক্ষতি করেছে। এ হামলার পিছনে তার হাত রয়েছে বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin