বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

ক্রীড়ানুরাগী খালেক চৌধুরী ও তার অবদান

হাকিকুল ইসলাম খোকন,নিউইয়র্কঃ
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০২৪
  • ৪১০ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজঃ

জীবিত থাকাকালে মানুষ তার অবদানের জন্য খুব একটা প্রশংসিত হয় না ৷ আবার মৃত্যুর পর শ্রদ্ধার অঞ্জলীও খুব একটা দীর্ঘস্থায়ী হয় না ৷ তাই আমাদের প্রশংসা এবং ইতিবাচক অভিমত একজন জীবিত ব্যক্তিকে ঘিরে ৷ তার ব্যতিক্রমধর্মী সাফল্য এবং গৌরবময় কিছু কীর্তিকলাপ নিয়ে এই বর্ণনা ৷
খালেক চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সনে ৷ ৫২ সালে সেন্ট গ্রেগরী থেকে মেট্রিক ও ৫৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আইএ পাশ করেন ৷ তিনি ১৯৫৮ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন এবং ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ডিগ্রী লাভ করেন ৷ ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন ৷ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ফুটবল ও ক্রিকেট নিয়মিত খেলেছেন ৷ এসএম হলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৷ ১৯৫৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান দলের সদস্য হয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে খেলতে যান ৷ ১৯৫৯ সালে তিনি ইষ্ট পাকিস্তান ফুটবল টিমের নেতৃত্ব দেন ৷ এশিয়ান গেমসে খেলার জন্যে পাকিস্তান টিমে মনোনীত হলেও ইনজুরীর জন্যে খেলতে পারেননি ৷ তিনি ১৯৭৭-১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সেক্রেটারী নির্বাচিত হন ৷ কর্মজীবনে অগ্রণী ব্যাংকের ডিজিএম হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন ৷বাপসনিউজকে জানিয়েছেন সাংবাদিক মোঃনাসির।

ঢাকার মাঠে যখন মারী, আশরাফ, মিন্টু, গজনভী, মোবাশ্বার, গফুর বালুচরা দুর্দণ্ড প্রতাপে মাঠ কাঁপাতেন তখন খালেক চৌধুরীও ঢাকার ফুটবল মাঠে সপ্রতিভ ৷ একই সাথে একাধিক খেলায় কৃতিত্ব ব্যতিক্রমধর্মী ৷ আমরা সালাহউদ্দিন ও রামার মাঝে এরূপ প্রতিভা দেখেছি ৷ খেলা-ধূলার কারণে একাডেমিক অগ্রগতিতে বিঘ্ন ঘটা স্বত্ত্বেও খেলাধূলায় সম্পৃক্ত থাকা এক বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের পরিচয় মিলে ৷ তদুপরি বাড়ীর ও পরিবারের কড়াকড়ি, নিয়ম-কানুন অতিক্রম করে খেলা-ধূলায় মেতে থাকা অত্যন্ত কঠিন ৷ নেহাল হাসনাইন চৌধুরীর ভাষ্যমতে যখনই চাচার সাথে মেলা-মেশা করেছি তখনই চাচার খেলোয়াড়ীসুলভ মনোবৃত্তির পরিচয় পেয়েছি ৷ বড়ো মন, অন্যের আনন্দে আনন্দিত হওয়া, হার-জিত মেনে বিজয়কে ভাগ করে নেয়া, সতীর্থ খেলোয়াড়দের প্রতি একটি বিশেষ আকর্ষণ অনুভব করা ইত্যাদি চাচার মাঝে দেখেছি ৷ বিশেষ করে চাচার কাছে কাজে গেলে কোন কারনে বিরক্ত হতেন না ।তিনি অধৈর্য্য না হয়ে সৃজনশীলতা আর প্রানস্পর্শী উদ্দামতাকে আরো উদ্বুদ্ধ করতেন ৷ সেসব ১৯৭৮ এর কথা ৷ আমার স্মৃতিতে এগুলি আজো ভাস্মর ৷ যেনো তার ব্রতই ছিলো, শতফুল ফুটতে দাও ৷ পরলোকগত খালেক চৌধুরী জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন খেলোয়াড়এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেটের ক্যাপ্টেন নেহাল হাসনাইন চৌধুরীর চাচা ছিলেন ।নেহাল হাসনাইন চৌধুরী বাংলাদেশ ক্রিকেটের জাতীয় দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় মোহামেডানের এবং সূর্য তরুণের ও আবহানীর হয়ে খেলেছেন ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin