
আমিন টিভি ডেস্ক নিউজঃ
নড়াইলের নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের মুলশ্রী-পাখীমারা খাল উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিঃ এর উদ্যোগে খাল খনন ও ভেড়ি বাঁধ নির্মানে এলাকায় বইছে সস্তির হাওয়া। দীর্ঘ দিনের সমস্যার সমাধান হওয়ায় উদ্যোক্তাদের সাধুবাদ জনিয়েছেন তারা। ২০ এপ্রিল (শনিবার) সরেজমিনে ইউনিয়নের মুলশ্রী ও চর মধুপুর গ্রামে গেলে আনন্দে আত্মহারা এলাকাবাসী তাদের অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
স্থাণীয়রা জানান, ইউনিয়নের চরমধুপুর গ্রামটি বরাবর অবহেলিত এবং নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা। এলাকার বেশীর ভাগ মানুষই নদী ভাঙ্গনে হারিয়েছেন সহায়সম্বল। বালির বস্তা ফেলেসাময়িক নদী ভাঙ্গন রোধ হলেও চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা এখনো। বর্ষাকালে পুরো গ্রামটিতে নদীর পানি ঢুকে হয়ে পড়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কোমল মতি শিক্ষার্থীদের নদীর কুল ঘেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাশ্ববর্তী চাপাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হতো। সমিতির উদ্যোগে ১৫ শত মিটার ভেড়ি বাঁধ নির্মানের কারণে মহা খুশী গ্রামবাসী। কয়েকজন মুরব্বী আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে দোয়া করেছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম কবির তপনকে।
এ বিষয়ে সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মোঃ গোলাম কবির তপনের সাথে কথা হলে বলেন, আমি নির্বাচনের সময় ওয়াদা করেছিলাম খাল খনন ও ভেড়ি বাঁধ নির্মান করে দিব। ওই চিন্তা চেতনা মাথায় রেখে বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়াদৌড়ি করে এলসিএস এর মাধ্যমে প্রকল্পটি অনুমোদন করিয়েছি। যেখানে ৭০% মেকানিক্যাল ও ৩০% জনবল প্রয়োগ করে কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। সিডিউল অনুযায়ী কাজ হচ্ছে এখানে কোন দুর্ণীতির সুযোগ নেই বলে তিনি জানান। সমিতিতে ২শত জন সদস্য আছে এবং তাদের মধ্য থেকে ৩০% জনবল নেওয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অনুদানের একটি টাকাও বাজেয়াপ্ত হবেনা। মানুষের কল্যানে এ প্রকল্পটি যথাসময়ে বাস্তবায়িত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
কালিয়া এলজিইডি অফিসের প্রেকৌশলী প্রনব কান্তি বল জানান, সরকারী ভাবে ২৪ লক্ষ টাকা অনুদানে ১২ শত মিটার খাল খনন ও ১০ লক্ষ টাকা অনুদানে ১৫ শত মিটার ভেড়ি বাঁধ নির্মান প্রকল্পটি মুলশ্রী-পাখীমারা খাল উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিঃ এর মাধ্যমে চলতি বছরের ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ৩০ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। উপজেলা এলজিইডি অফিস নিয়মিত কাজটি তদারকি করছে বলে জানান তিনি।