
ডেস্ক রিপোর্টঃ
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামে রাশেল গাজী (২৫) নামে এক যুবক প্রতিপক্ষের নৃশংস হামলার শিকার হয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) অনুমান ৮টার দিকে ওই গ্রামের উত্তর পাড়া হাসান কাজীর উঠানে ফেলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান স্বজনরা। রাশেল গাজী ওই গ্রামের কিবরিয়া গাজীর ছেলে।
স্থাণীয় ও স্বজন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ ওই গ্রামের ভূঁইয়া গ্রুপের সাথে গাজী গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন রাশেল গাজী পার্শ্ববর্তী রঘুনাথপুর বোন বাড়ী থেকে ৯৪ হাজার টাকা নিয়ে নিজের মোটর সাইকেল যোগে বাড়ী আসছিলেন। হাসান তাজীর বাড়ী সংলগ্ন রাস্তার কাছে আসলে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মৃত গোলজার ভূঁইয়ার ছেলে মোবাশ্বের ভূঁইয়া (৫৫) ও মৃত মোকাম ভূঁইয়ার ছেলে উজির ভূঁইয়ার নেতৃত্বে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল রাশেলের গতি রোধ করলে সে দৌড়ে হাসান কাজীর বাড়ী উঠতে গেলে উঠানেই ফেলে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তার আত্ম চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আহত রাশেল স্বজনদের কাছে জানিয়েছেন, ফুল মিয়া ভূঁইয়ার ছেলে উজ্জল ভূঁইয়া (৩০), বাশার ভূঁইয়ার ছেলে জসিম ভূঁইয়া (৩৫), মামুদ ভূঁইয়ার ছেলে সেলিম ভূঁইয়া (৩০), মোবাশ্বের ভূঁইয়ার ছেলে অর্ক ভূঁইয়া (২২), কুদ্দুস ভূঁইয়ার ছেলে আলী ভূঁইয়া (২৪), সাহিদ ভূঁইয়ার ছেলে মুরছালিন সহ ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়েছে।
আহত রাশেলের চাচা শহিদুল গাজী ও চাচাত বোন সামিয়া খানম, মাতা হাসিনা বেগম অনেকে জানান, আহত রাশেলের শরীরে ৩২টা কোপ রয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজন। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের কঠিন বিচার দাবি করেছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোবাশ্বের ভূঁইয়া ও উজির ভূঁইয়ার বাড়ীতে গেলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি।