বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ।

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৪৬ Time View

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বাবরা হাচলা ইউনিয়নের দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলক চন্দ্র বিশ্বাস ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পিকুল আলমের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ক্রীড়া সম্পন্ন করে পুরস্কার না দেওয়া, নিয়মিত মাসিক মিটিং না করা, শিক্ষার মান খারাপ হওয়া, কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগে দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের বিষয়ে ২২ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন ওই স্কুলের দুই অভিভাবক সদস্য মোঃ হান্নান মোল্যা ও ওহিদুল মোল্যাসহ কয়েকজন অভিভাবক।
লিখিত অভিযোগে অভিভাবক সদস্য মোঃ হান্নান মোল্যা ও ওহিদুল মোল্যা বলেন, চলতি মাসের ১০ ও ১১ তারিখে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা সম্পন্ন হলেও শিক্ষার্থীদের এখনো পুরস্কার বিতরণ হয়নি, কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও পিয়াল নামে একটি ছেলেকে চাকুরী দেয়া হয়েছে এটা দুঃখজনক। এ ছাড়া নিয়মিত মাসিক মিটিং না হওয়ায় এবং স্কুলের সরকারী বন্দবোস্ত নেওয়া জমি খাজনা পরিশোধ না করে ভুল ইজারা দিয়ে হাত ছাড়া হওয়াসহ বিতর্কিত দুই শিক্ষক তুষার কান্তি ঘোষ ও পিযুষ কান্তি ঘোসের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
এ সময় হাচলা গ্রামের অভিভাবক আব্দুল হান্নান ও আরেক অভিভাবক ডাঃ মেহেদী হাসান বলেন, আমরাও ঐতিহ্যবাহী এ স্কুলটির ছাত্র ছিলাম। কিন্তু পড়াশুনার মান আগের মত নেই। মাত্র ৪/৫% শিক্ষার্থী পাস করে, এটা খুবই পরিতাপের বিষয়। আমরা চাই স্কুলটি পূর্বের ধারায় ফিরে আসুক।
এ দিকে শিক্ষার্থীরা জানায়, স্কুলে পড়াশুনার মান ভাল। আগামী ঐতিহাসিক ৭ মার্চের দিনে বড় করে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্কুলের পুরস্কার বিতরণী হবে। এ ছাড়া পূর্বে ক্লাসে ভর্তি হতে গেলে দেড় থেকে দু’হাজার টাকা খরচ হত এবং পরীক্ষার ফী নিত ৩ শত টাকা। কিন্তু বর্তমানে ভর্তি বাবদ ৫ শত ও পরীক্ষার ফি নেয় ১০০ টাকা মাত্র।
এ বিষয়ে অত্র স্কুলের সভাপতি মোঃ পিকুল মোল্যা বলেন, অভিযোগকারী অভিভাবক সদস্যরা স্কুল উন্নয়নে কি ভুমিকা রেখেছেন বা কি ভাবে মান ভাল কর যায় সে দিকে নজর রাখার নির্দেশ দেন এবং পজেটিভ দিক গুলো তুলে ধরার আহ্বান জানান। স্কুলের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে এ ভাবে বিশ্রিংখলা সৃষ্টি না করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান তিনি। আগে ভর্তি হতে ২ হাজার টাকার ওপরে লাগত কিন্তু এখন বাৎসরিক ৫শত টাকায় বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন সভাপতি।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলক চন্দ্র বিশ্বাসের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু হওয়ায় স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় এ বিষয়ে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, অত্র স্কুলের কমিটির মধ্যে গ্রুপিং চলে আসায় মাসিক মিটিং নিয়মিত হয়না। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও বেতন কমিয়ে দেওয়া এবং স্কুলের বন্দোবোস্তকৃত জমি নবায়ন না করা আয়ের উৎস কমে গেছে। যার ফলে আমার শিক্ষদকের একটি টাকাও বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। আর কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়া অনুযায়ী হয়েছে বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin