বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শশাংক ঘোষের বিরুদ্ধে অপকর্ম ও অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ।

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৩৬ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট

নড়াইলের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষের অপকর্ম ও অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায়একাধিক ভুক্তভোগী জেলা সিভিল সার্জন বরাবর অভিযোগ দখিল করেছেন এবং মাননীয় সংসদ সদস্য ৯৩, নড়াইল-০১, সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রাণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা, মহা-পরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা (দৃষ্টি আকর্ষনঃ পরিচালক, প্রশাসন), সচিব, একান্ত, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রাণালয় বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা, পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিভাগ, খুলনা, জেলা প্রশাসক, নড়াইল ও মেয়র কালিয়া পৌরসভা বরাবর অনুলিপি প্রেরণ করেছেন। চলতি মাসের ৪ ও ৬ তারিখে উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়গনষ্টিক ও ফার্মেসীর মালিকগণ এ অভিযোগ প্রেরণ করেন। ওই ডাক্তারের পূর্বের কর্মস্থল মাদারীপুরের শিবচরে নারীকেলেঙ্কারী, দূনীর্তি, অর্থ আত্মসাৎ সহ নানাবিধ অকর্মের সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও টিভি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছিল। নতুন কর্মস্থলে এসেও ডাঃ শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষের অপকর্ম ও অনিয়ম থেমে নেই। সাম্প্রতিক নারী সহকর্মীকে নিয়ে সরকারি গাড়ী ব্যবহার করে ব্যকৃতিগত কাজে বাহিরে যাওয়ায় চোকজের মুখে পড়েন তিনি। এ খবর কয়েকটি মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে ওউ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কালিয়া থানায় অভিযোগ করেন ডাহ শশাঙ্ক। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের শুষ্ঠ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। দাবি না মানলে মানববন্ধনের ডাক দিবেন বলে জানান তারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই কর্মকর্তা যোগদানের পর কালিয়ার প্রতিটি ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে চিকিৎসকদের বিশেষ সম্মানীর নাম করে প্রত্যেকের কাছে চাঁদা দাবি করেন। অনাদায়ে লাইসেন্স বাতিল ও নবায়ন না করার হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলেছেন।
ডাঃ জ্যোর্তিময় সরকার বলেন, তাকে নিজ কার্যলয়ে ডেকে কোনো ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে রোগী দেখা ও আল্ট্রাসনোগ্রাম না করার হুমকি দিয়ে তার স্ত্রীর মালিকানাধিন লাইফ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল ও নবায়ন না করার হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
“রোগী কল্যান সমিতি”র ঔষধ সহায়তা ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রায় ২ মাস যাবত বন্ধ রেখেছেন ডাঃ শশাঙ্ক। যার ফলে উপজেলার কোনো অসহায় ও দুস্থরোগীরা ঔষধ সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ সমাজসেবা অধিদপ্তরে দুস্থ রোগীদের “রোগী কল্যান সমিতি” কার্যক্রমের ঔষধ প্রদানের ভূয়া স্লিপ দেখিয়ে সম্পূর্ন বেআইনি ভাবে চাপ প্রয়োগ করে বিসমিল্লাহ ফার্মেসী থেকে নগদ ১৪,৫০০/= টাকা ব্যাক্তিগত ভাবে গ্রহন করেছেন বলে জানান ফার্মেসী মালিক মনিরুল ইসলাম।
কালিয়া সার্জিক্যাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক মোতালেব হোসেন জানান, চলতি মাসের ৪ তারিখে সকাল সাড়ে ১১ টায় ডাঃ শশাঙ্ক তার নিজ বাসায় ডেকে তাকে মূল্যায়ন বা অপরেশনে কেন ডাকা হয়না? এমন অপবাদ এনে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিসহ অসম্মান করেন। অতঃপর ওই দিনই তিনি জেলা সিভিল সার্জন বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন।
এ ছাড়া ভয় ভীতি দেখিয়ে নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কালিয়ার বেশ কয়েকটি ক্লিনিক ও ফার্মেসীতে সরকারী ডাক্তারদের ব্যক্তিগত চেম্বার বন্ধ করে দিয়েছেন ডাঃ শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ। ফলে সরকারী চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ এবং ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিকের ভাবমূর্তি হচ্ছে ক্ষুন্ন বলে জানান ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিকের মালিকেরা। অভিযোগে জানা গেছে ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিগনের কাছে তিনি তিন লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। না দিলে হাসপাতালে প্রবেশ করতে দিবেন না বলে হুমকিও দিয়েছেন।
ডাঃ শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষের সকল অপকর্ম ও দুর্নীতির প্রমানসহ অভিযোগ দাখিল করে সঠিক বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে নড়াইল সিভিল সার্জন ডাঃ সাজেদা বেগম পলিন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ মঞ্জুর মোর্শেদকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin