বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

এই সরকারের অধীনে নির্বাচনের পরিকল্পনা ছিল বিএনপির!

নিউজ ডেক্স
  • Update Time : বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪৪৫ Time View

এই সরকারের অধীনে নির্বাচনের পরিকল্পনা ছিল বিএনপির, বাঁধ সাধলো খালেদার অসুস্থতা!

আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য শ্যামল দাশ টিটু-

লন্ডনের চাওয়ার সাথে ঢাকার চাওয়া ম্যাচ করছে না।
অসুস্থ খালেদা জিয়াকে রেখে আমরা নির্বাচনে যাবো না- বলেছেন মির্জা ফখরুল।

তাহলে বুঝা গেল তলে তলে এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবার পরিকল্পনা ছিল বিএনপির। বাঁধ সাধলো খালেদা জিয়ার অসুস্থতা।

আসলে তারেক জিয়ার নির্দেশে, বিএনপির আন্দোলনের শেষ চাওয়াটা খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর মধ্যে সীমাবন্ধ করে ফেলেছে।

অনেকের মতে, বিএনপির উচিৎ ছিল সরকার পতনের একদফার আন্দোলনকেই গুরুত্ব দেয়া। কিন্তু তারা সেটা না করে শেষ মুহূর্তে এসে আন্দোলনের গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে । ফলে মাঠের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের মন ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেছে। তাদেরকে প্রতিদিন নতুন নতুন গুজব ছড়িয়ে চাঙ্গা রাখার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

এখন বিএনপির একমাত্র ভরসা আমেরিকা এসে যদি কিছু করে দেয়। কিন্তু সেখানেও আর একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেটা হলো বিএনপির সিনিয়র নেতারা বুঝে গেছে আমেরিকা ৩য় কোন সরকার বসাতে চাচ্ছে। বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয় ,তাদের স্বীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য। ফলে নেতারাও চুপসে গেছে অনেকটা।

ফলে তারেক জিয়ার নির্দেশে তাদের এখন দায়িত্ব খালেদা জিয়াকে যেভাবেই হোক লন্ডনে পাঠাতে সরকারের সাথে জোর লবিং করা। কিন্তু ওয়াশিংটন এবং লন্ডনে শেখ হাসিনার সাথে বিএনপির অসৌজন্যমূলক আচরণই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারন শেখ হাসিনা বুঝে ফেলেছে এদেরকে একটু ছাড় দিলেই মাথায় উঠে বসবে।

ওদিকে অ্যামেরিকার সাথে সরকারের বর্তমান অবস্থা চরমে গিয়ে ঠেকেছে ? আমেরিকার কথা না শুনলে আপাতত হুমকি ধামকি দিয়ে যেতে পারে। আর সরকার সেগুলোকে পাত্তা না দিয়ে সময়মত নির্বাচন করতে পারে। এটাই মনে হচ্ছে।

অবশেষে নির্বাচন শেষ করে সরকার গঠনের পর নতুন সরকারের সাথে চূড়ান্তভাবে শুরু হতে পারে আমেরিকার দেনদরবার। দেনদরবার না মিললে বানিজ্য অবরোধ দিতে পরে আমেরিকা।

সেটা মোকাবেলা করতে সরকারের চরিত্রকে পুরো পাল্টে ফেলতে হবে। অর্থপাচার, ঘুষ দূর্নীতি, বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ, পদ বানিজ্য, মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ করে দল এবং দেশের মধ্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে , আমলা নির্ভরতা কমাতে হবে, পুলিশকে নিয়মের মধ্যে আনতে হবে এবং গার্মেন্টস পণ্যকে রাশিয়া, ভারত, চিন, এশিয়ার অন্যান্য দেশ এবং আফ্রিকায় রপ্তানির বাজার সৃষ্টি করতে হবে। এর ফলে সাময়িক অসুবিধা তৈরী হবে কিছুদিন।

তারপরেও আমেরিকার কাছে ধরা দেয়া যাবে না। কারন ওদের কাছে এবার ধরা দিলেই ওরা ইউনূস মিয়াকে কেয়ারটেকার সরকার প্রধান করে রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দেবে। মিয়ানমারে জোর করে রোহিঙ্গা পাঠানো নিয়ে ভেজাল বাধাবে এবং সেটাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার সীমান্তে সৈন্য মোতায়েন করবে।আর এটা একবার করতে পারলেই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হারিয়ে যাবে মুহূর্তের মধ্যে।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবন থাকতে দেশের সার্বভৌমত্বকে কোনোভাবেই বিকিয়ে দেবে না, দিতে পারে না এটা নিশ্চিত থাকুন আপনারা। স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে শেখ হাসিনার পাশে থাকুন। জয় আমাদের নিশ্চিত।

জয়তু শেখ হাসিনা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin