বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

লোহাগড়ায় বিবাহের নাটক সাজিয়ে ৪ বছর যাবত এতিম মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগ!

মো: পিকুল আলম, স্টাফ রিপোর্ট।
  • Update Time : রবিবার, ৯ জুলাই, ২০২৩
  • ১৪৮১ Time View

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চরশালনগর গ্রামের মৃত রইচ মোল্যার মেয়ে কাকলীকে বিবাহের নাটক সাজিয়ে ৪ বছর যাবত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের লুটিয়া বান্দের পাড় গ্রামের জুলহাস মোল্যার ছেলে নুর আলম মোল্যার বিরুদ্ধে।

জানা যায় গত ৪ বছর আগে মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের হাফেজ আসাদুজ্জামানের স্ত্রী হালিমার মাধ্যমে কাকলির সাথে নুর আলম এর বিয়ে ঠিক হয় এবং নুর আলম এর বাড়িতে স্থানীয় কাজীর সহকারী মুরাদ হুজুর তাদের বিয়ে পড়ান।

সাম্প্রতিক কথিত স্বামী নুর আলম কাকলিকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করে প্রতিবেশী এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায়। অতঃপর মেয়েটি স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মুরাদ হুজুরের কাছে কাবিন চাইতে গেলে তিনি ওই বিবাহ পড়ান নাই বলে জানিয়ে দেন। পরবর্তীতে কাকলি জুন মাসের ১২ তারিখে লোহাগড়া থানায় ওই কথিত কাজীসহ স্বামী নুর আলম মোল্যা, ভাই শাহাবুল মোল্যা, বাবা জুলহাস মোল্যা, মাতা নারগিস বেগম ও পরকিয়া প্রেমিকা পাচুড়িয়া গ্রামের মিরাজ খানের মেয়ে স্বর্ণা বেগমের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় অনুসন্ধানে গেলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিবাহের ঘটক নুর আলমের প্রতিবেশী মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের হাফেজ আসাদুজ্জামানের স্ত্রী হালিমা বেগমসহ অনেকে জানান, মুরাদ হুজুর ওই বিবাহ পড়িয়েছেন।

তবে বিয়ে পড়ানোর বিষয়ে মুরাদ হুজুরের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

বিষয়টি খোঁজ নিতে দিঘলিয়া ইউনিয়নের মূল কাজী খায়ের হুজুরের অফিসে গিয়ে নিকাহ রেজিষ্ট্রারে তাদের নাম পাওয়া যায়নি।

কথিত স্বামী নুর আলম এর বাড়িতে যেয়ে তাকে পাওয়া যায়নি তবে নুর আলমের মায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন ৪ বছর আগে লোহাগড়া থেকে কাকলিকে আমার ছেলে বিয়ে করে এনে সংসার করছে এর আগেও একটা বিয়ে করেছিলো তার সাথে তালাক হয়ে গেছে এখন আবার পাশের বাড়ির একজন প্রবাসীর বৌকে নিয়ে পালিয়ে গেছে, তার কোনো খবর আমরা জানি না।

এদিকে স্থানীয়রা জানান নুর আলম প্রথমে গোপালগঞ্জ জেলায় বিবাহ করে এবং সেই স্ত্রীকে তাড়িয়ে দিয়ে ওই ঘটকের মাধমে বিবাহ ঠিক করে স্থানীয় ওই কথিত কাজী, স্থানীয় মেম্বর ও তার স্বজনদের সহযোগিতায় নাটকীয়ভাবে কাবিন ছাড়া কাকলিকে বিবাহ করে ৫ বছর যাবত ধর্ষণ করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন এই নুর আলম একটা বাটপার। বিয়ের নাটক সাজিয়ে অসহায় নারীদের থেকে সর্বস্ব লুটে নেয় এবং তাদের ধরনা সে নারী পাচারকারী চক্রের সদস্য তাকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোক সহযোগিতা করে।

লোহাগড়া থানার ওসি নাসির উদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin