বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা ফেরত না পাওয়ায় প্রবাসী নারীর আত্মহত্যা

ওয়াহিদুজ জামান , ফরিদপুর।
  • Update Time : রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৬৪৪ Time View

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা স্বামীর কাছ থেকে না পেয়ে বিউটি আক্তার(৪০) নামে এক প্রবাসী নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে ছেলে জাহিদ শেখের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটে রবিবার ( ৩০ এপ্রিল) সন্ধার পরে উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের মোটরা গ্রামে। নিহত বিউটি আক্তার মোটরা গ্রামের মোসলেম মাতুব্বরের মেয়ে। ডিউটি বাড়ির পাশে সানরাইজ কিন্ডারগার্টেন স্কুলের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত বিউটি আক্তারের প্রথমে সূর্যনগর এলাকার শাহজাহান নামের এক লোকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়। সন্তান তিনজন বিউটির কাছেই থাকে। বিউটি সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য সৌদি আরবে যায় ঝিয়ের কাজ করতে। সৌদি আরব থেকে দেশে এসে দুই বছর আগে সে পার্শ্ববর্তী সালথা উপজেলার লুৎফর নামের এক লোকের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। বিবাহের কিছু দিন পরে বিউটি আবার বিদেশ চলে যায়। বিদেশ গিয়ে এবার সমস্ত টাকা দ্বিতীয় স্বামী লুৎফরের কাছে পাঠাত। ছয় মাস আগে বিউটি দেশে এসে স্বামীর নিকট টাকা চায়। স্বামী লুৎফর টাকা দিতে টালবাহানা শুরু করে। টাকা চাইলেই সে মারধর শুরু করে। বিউটির কপালে নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন। এভাবে বিউটি মার খেয়ে রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
ছেলে জাহিদ আরো জানান, আমার মা তার স্বামী লুৎফরের নিকট টাকা চাইলেই মারধর করত। শুধু মারধরই করত না তাকে টাকা চাইলে মেরে ফেলার হুমকি দিত। সপ্তাহ খানিক আগেও তাকে মারধর করলে আমি ফরিদপুর হসপিটালে ভর্তি করে সুস্থ করে বাড়ি এনেছি। তার মুখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার মা লুৎফরের অত্যাচারে তার বাসা থেকে আমার নানা বাড়ি চলে এসেছে। লুৎফর ভাঙ্গায় তুলি হাসপাতালের নিচে একটা রুমে আমার মাকে নিয়ে বসবাস করত। একমাত্র লুৎফরের অত্যাচারে আমার মা এই পথ বেছে নেয়। আমি লুৎফরের বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিয়ারুল ইসলাম বলেন, আত্মহত্যার ঘটনা শুনে আমার অফিসার কে পাঠিয়েছি আমিও যাচ্ছি, তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin