বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নড়াইলে ফুটবল খেলার নামে চলে অনুমতিবিহীন ‘র‍্যাফেল ড্র’

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৬৮ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ফুটবল টুর্নামেন্টের নামে র‌্যাফেল ড্র হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার শেখহাটি বাজারের পাশে শেখহাটি তপনভাগ যুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রকাশ্যে এ কর্মকা- অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় যুব সমাজের ব্যানারের আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্বঘোষিত সমাজসেবক জিকো মাহমুদ নামে এক ব্যক্তি। এদিকে লটারির নামে র‌্যাফেল ড্র এক ধরনের জুয়া আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করেছেন সচেতন নাগরিক ও সমাজকর্মীরা।

সরেজমিন শুক্রবার বিকেলে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ভেতরের মাঠে খেলা চলছে। প্রধান ফটক দিয়ে কেউ ঢুকতে গেলেই “র‌্যাফেল ড্র-এর” টিকিট কাটতে চাপাচাপি করছেন কয়েকজন যুবক। যা অনেকের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতি টিকিটের মূল্য ১০ টাকা, রয়েছে নানা পুরষ্কারের ঘোষণা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানায়, এর আগেও বিভিন্ন সময় খেলার নামে এই র‌্যাফেল ড্র- এর আয়োজন করেছে এরা। এ নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছে। কত টাকার টিকিট বিক্রি হয়, আর কত টাকার পুরষ্কার দেওয়া হয়, তা কেউ জানে না। তাকে (জিকো) কেউ নিষেধ করলেও শোনে না। আজকেও এই টিকিট নিয়ে এখানে আজও ঝামেলা হয়েছে।

এমন আয়োজনের সমালোচনা করেছেন সচেতন নাগরিক ও সমাজকর্মীরা। সমাজকর্মী কাজী হাফিজুর রহমান বলেন, ‘যদি পুরস্কার পাওয়ার আশায় কোনো অর্থ ব্যয় করে অনিশ্চিত লাভের বাজি ধরা হয়, তবে সেটি জুয়া। গ্রামের দিকে এসব লটারির আয়োজন করলে সাধারণ মানুষ না বুঝেই পুরস্কারের লোভে এতে জড়িয়ে পড়ে। এমন আয়োজন চলতে দিলে সমাজের এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

তবে র‌্যাফেল ড্র-এর অনুমতি আছে জানিয়ে জিকো মাহমুদ বলেন, ‘ সর্বপ্রথম আমরা জানাইছিলাম এসপি অফিস, ডিসি অফিসে। অ্যা কি বলে, এসপি অফিস আর ওসি অফিসে যে, আমরা একটা র‌্যাফেল ড্র করব। স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও জানে।’

সন্ধ্যার দিকে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেষ শেখহাটি পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ র‌্যাফেল ড্র-টা আনন্দের বিষয়। খেলাধুলার সহযোগিতা হিসাবে, মানুষের আনন্দ-বিনোদনের একটা অংশ হিসাবে র ্যাফেল ড্র-এর আয়োজন করেছে, এটাও সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। র‌্যাফেল ড্র আয়োজন করতে আইনি কোনো বাঁধা আছে কি না, আমি জানি না।’

নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার মুঠোফোনে বলেন, ‘ ওখানে পুলিশ সদস্য যে গেছে, বিষয়টা হয়তো আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে। অনেক মানুষের সমাগম হবে-এই হিসেবে তার দায়িত্বে গেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যে আয়োজকরা অনুমতি নেয়নি বিষয়টা হয়তো ওই পুলিশকে সদস্যকে অবগত করা হয়নি।’

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে নড়াইলের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল ছালাম বলেন, ‘ র‌্যাফেল ড্র-এর আয়োজন করতে হলে জেলা প্রশাসন থেকে অবশ্যই অনুমতি নিতে হয়। আমাদের এখান থেকে তারা কোনো ধরনের অনুমতি নেয়নি। আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin