বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

কালিয়ায় শ্রমিকের টাকা নিয়ে নয়ছয়ের অভিযোগ ব্রীজ নির্মাণ কোম্পানি ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২০৪৩ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইলের কালিয়ায় বারোই পাড়া ব্রীজ নির্মাণ শ্রমিকের বকেয়া টাকা নিয়ে নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে ঢাকার শ্যামলী আদাবর এলাকার কংক্রিট এন্ড স্টীল টেকনোলজি কোম্পানি লিঃ ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। বিগত এক বছরের লেনদেনে ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা বকেয়া পড়ায় বিপাকে পড়েছে শ্রমিকেরা বলে জানান শ্রমিকদের সরদার লাল মিয়া। কোম্পানির জিএম ইমরান, পিএম লিটন ও ইঞ্জিনিয়ার মাধবসহ সাব ঠিকাদার জসিমের যোগসাজসে টাকা না দিয়ে তাদের মিথ্যা আশ্বাসে বিশ দিন মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে শ্রমিক সরদার লাল মিয়া ও তার শ্রমিকেরা। কালিয়ার পারের অফিসে টাকা চাইতে গেলে মারপিটের শিকারও হয়েছেন লাল মিয়া। দরীদ্র শ্রমিক সরদার লাল মিয়া দ্রুত তার পাওনা টাকা দাবি করেন।

সরেজমিনে বারোইপাড়া সেতুতে গেলে শ্রমিক সরদার লাল মিয়া বলেন, বিগত ১ বছর আগে সাব ঠিকাদার জসিমের সাথে মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী আমরা কাজ শুরু করি। ১৫ দিন কাজ করার পর ওই ঠিকাদারের লেনদেন ভাল না হওয়ায় আমরা কাজ বন্ধ করে চলে যেতে চাইলে ওই কোম্পানি জিএম ইমরানসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব নিয়ে আমাদের কাজ করতে বলেন। যার অডিও রেকর্ড সংরক্ষণে আছে। কিন্তু অবশেষে কোম্পানি ও আমাদের সাথে ছিনিমিনি খেলেছে বলে জানান। আমাদের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় এক মাস হতে চললেও কোম্পানি বিল না দেওয়ায় বাকিতে খাওয়া স্থানীয় দোকানীরা আমাদের টাকার জন্য চাপ দিচ্ছে। এখন আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি।

মারপিটের বিষয়ে কোম্পানির পিএম লিটনকে ফোন দিলে তিনি বাড়ীতে আছেন বলে জানান। তবে একটু পরে কথা বলবেন বলে আর যোগাযোগ করেননি।

কোম্পানি শ্রমিকদের দায়িত্ব নেওয়াসহ বকেয়া পাওনার বিষয়টি স্বীকার করে ইঞ্জিনিয়ার মাধব বলেন, লাল মিয়ার টাকা অফিস দিয়ে দেবে। তবে ঠিকাদার অফিস থেকে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছে। অফিসে গেলে ঠিকাদারের সাথে হিসাব করে তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ওই কোম্পানির জিএম ইমরানের সাথে কথা হলে বলেন, ঠিকাদারের সাথে বনিবনা না হওয়ায় আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। এ সময় খোরাকি বাবদ লালমিয়াকে এবং ঠিকাদার জসিমকে কাজের বিল বাবদ অনেক টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে তারা উভয়ে অফিসে আসলে হিসাব নিকাস শেষে বকেয়া দিয়ে দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin