বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

১১ সেপ্টেম্বর তাবৎ বিশ্বকে চমকে দেয়া নাইন-ইলেভেন

হাকিকুল ইসলাম খোকন,নিউইয়র্কঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৮৩ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজঃ

বছর ঘুরে ১১ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার স্মৃতি নিয়ে হাজির হচ্ছে নিহতদের স্মরণে নানা আয়োজন ৯/১১। ২০০১ সালের এ দিনে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয় যুক্তরাষ্ট্রে। এ হামলা ৯/১১ নামে পরিচিত। দিনটি ছিল মঙ্গলবার। প্রলয়ের মতো এ ঘটনায় তাবৎ বিশ্ব চমকে গিয়েছিল। যা পাল্টে দেয় পুরো পৃথিবীর রাজনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তার ধারণা।
শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ একটি হামলার ওইদিন আল-কায়েদার সন্ত্রাসীরা দুটি উড়োজাহাজ ছিনতাই করে আছড়ে ফেলে নিউইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের সুউচ্চ জোড়া ভবন বা টুইন টাওয়ারে। আরেকটি উড়োজাহাজ আছড়ে পড়ে পেন্টাগনে। হামলা হয় পেনসিলভেনিয়াতেও। এসব হামলায় প্রাণ যায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের, আহত হয় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। তাদের মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশিও রয়েছেন। তারা হলেন- ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার নূরুল হক মিয়া, তার স্ত্রী মৌলভীবাজারের শাকিলা ইয়াসমিন, সুনামগঞ্জের সাব্বির আহমেদ, কুমিল্লার মো. শাহজাহান, সিলেটের সালাহউদ্দিন চৌধুরী এবং নোয়াখালীর আবুল কে চৌধুরী
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ছিনতাইকারীরা ছোট ছোট দলে পূর্ব আমেরিকার আকাশপথ দিয়ে ওড়া চারটি বিমান একইসাথে ছিনতাই করে। তারপর বিমানগুলো তারা ব্যবহার করে নিউইয়র্ক আর ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে আঘাত হানার জন্য বিশাল ও নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র হিসাবে।
দুটি বিমান বিধ্বস্ত করা হয় নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার ভবনে।
প্রথম বিমানটি আঘাত হানে নর্থ টাওয়ারে আমেরিকার পূর্বাঞ্চলীয় সময় সকাল ৮টা ৪৬ মিনিটে। দ্বিতীয় বিমানটি সাউথ টাওয়ারে বিধ্বস্ত করা হয় এর অল্পক্ষণ পর, সকাল ৯টা ৩ মিনিটে।
দুটি ভবনেই আগুন ধরে যায়। ভবন দুটির উপরতলায় মানুষজন আটকা পড়ে যায়। শহরের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। দুটি টাওয়ার ভবনই ছিল ১১০ তলা। মাত্র দুই ঘন্টার মধ্যে দুটি ভবনই বিশাল ধূলার ঝড় তুলে মাটিতে ভেঙে গুঁড়িয়ে পড়ে।
তৃতীয় বিমানটি পেন্টাগনের সদর দপ্তরের পশ্চিম অংশে আঘাত হানে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির উপকণ্ঠে ছিল আমেরিকান প্রতিরক্ষা বিভাগের বিশাল এই সদর দপ্তর পেন্টাগন ভবন। এরপর, সকাল ১০টা ৩ মিনিটে চতুর্থ বিমানটি আছড়ে পড়ে পেনসিলভেনিয়ার এক মাঠে। ছিনতাই হওয়া চতুর্থ বিমানের যাত্রীরা ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর পর সেটি পেনসিলভেনিয়ায় বিধ্বস্ত হয়।
ধারণা করা হয় ছিনতাইকারীরা চতুর্থ বিমানটি দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাপিটল ভবনের ওপর আঘাত হানতে চেয়েছিল।
৯/১১ মেমোরিয়াল ও মিউজিয়ামের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনা : বিভিন্ন গণমাধ্যমে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে ৯/১১ মেমোরিয়াল ও মিউজিয়ামের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশের পর গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেছেন নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল (ডি)।
হোকুল এক্স-এ এক বিবৃতিতে লিখেছেন, @Sept11Memorial তাদের, যারা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এর উত্তরাধিকার বহন করেছেন- শোকাহত পরিবার, বেঁচে থাকা মানুষ এবং প্রথম প্রতিক্রিয়াশীলদের অন্তর্গত। তিনি নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনও সংযুক্ত করে।
তিনি আরো লিখেছেন, এই পবিত্র স্থানকে রাজনৈতিকীকরণ না করে, প্রেসিডেন্টের উচিত ৯/১১ স্বাস্থ্যসেবার তহবিল পুনরুদ্ধার করা এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।
ট্রাম্পের ৯/১১ মেমোরিয়াল ও মিউজিয়ামের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ইচ্ছার খবরটি এসেছে কয়েক মাস পর, যখন তার প্রশাসন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হেলথ প্রোগ্রামের অর্থায়ন প্রত্যাহারের চেষ্টা করেছিল।
জিওপি আইনপ্রণেতাদের চাপের পর হোয়াইট হাউজ ওই তহবিল পুনর্বহাল করে, যাতে গবেষণা, চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ ও সেবার জন্য সহায়তা পান ১ লক্ষেরও বেশি বেঁচে থাকা মানুষ, যারা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর কাজ করার সময় স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত হন।
মিউজিয়ামের শীর্ষ কর্মকর্তা প্রশ্ন তুলেছেন- কেনো ফেডারেল সরকার এটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইবে।
৯/১১ মেমোরিয়াল ও মিউজিয়ামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বেথ হিলম্যান সিবিএস-এ পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, যখন ফেডারেল সরকার খরচ কমানোর চেষ্টা করছে, তখন এই স্থাপনার সম্পূর্ণ পরিচালন ব্যয় বহন করা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়।
এদিকে ৯/১১ -এ নিহতদের স্মরণে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin