ডেস্ক নিউজঃ
নড়াইলের নড়াগাতী থানা এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও ডাকাতির উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রতিনিয়ত চুরি বা ডাকাতি সংঘটিত হচ্ছে থানার বিভিন্ন এলাকায়। গরু ছাগল, হাঁস মুরগী থেকে শুরু করে বাসাবাড়ীর নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস চুরি হচ্ছে অহরহ।
এরই ধারাবাহিকতায় ৭ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) দিনগত রাতে খাশিয়াল ইউনিয়নের বি-পাটনা গ্রামের অসহায় কৃষ্ণ চক্রবর্তীর দুটি গাভী ও একটি ষাঁড় চুরির ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে ওই পরিবারের মাঠে এক ইঞ্চি জমিও নেই, গরু গুলোই ছিল তাদের একমাত্র সম্বল, এখন পথে বসেছে ওই পরিবারটি। ঘনঘন চুরি ডাকাতির ঘটনায় জনসাধারণের মধ্যে বিরাজ করছে মহাআতঙ্ক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতে দোকানপাটের তালা ভেঙে কিংবা সুকৌশলে ওপরের টিন খুলে নগদ টাকা ও মালামাল চুরি এবং বসতঘরে ঢুকে মূল্যবান মালামাল লুট করছে সংঘবদ্ধ চোর চক্র। এ ছাড়া বাসাবাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার, মটরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি ঘটনা ঘটছে অহরহ। এভাবে চলতে থাকলে প্রশাসন তথা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে শিঘ্রই। এমতাবস্থায়, প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ ও নিয়মিত টহল জোরদার জরুরী বলে তারা মনে করেন।
বড়দিয়া কলেজ এলাকার মুদী দোকানদার অলিয়ার মোল্যা ও এনায়েত মোল্যাসহ বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী এই চোর চক্রের দ্বারা নিঃস্ব হয়েছেন বলে জানান। ওপরের টিন কেটে লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতিসাধন করেছে চোরেরা। নড়াগাতী থানার বিভিন্ন বাজারে একই পরিস্থিতি বিরাজমান। এ ছাড়া এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেও আশানুরূপ ফল মেলেনি বলে জানান স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। চোর ডাকাত ধরে আইনগত ব্যবস্থাও নিচ্ছি তবু নিয়ন্ত্রণ হচ্ছেনা। আসলে আমরাও নিরুপায়।
চুরি ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশ আরো কঠোর অবস্থানে যাবে। তবে বড় বড় বাজারগুলোতে পাহারাদার থাকলে পুলিশের কাজ করতে সুবিধা হয় বলে তিনি জানান।