বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

নড়াইলে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক নিউজঃ
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২১৯৭ Time View

ডেস্ক নিউজঃ

নড়াইল সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক কোমলমতি পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীর পরিবার অভিযুক্ত শিক্ষক মো.তরিকুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার(২৩অক্টোবর) সকালে নড়াইল সদর থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষক মো.তরিকুল ইসলামের বাড়ি নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বোড়ামারা গ্রামে।
মামকা সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম চারজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়াচ্ছিলেন। একপর্যায়ে এক ছাত্রী তার মায়ের ডাকে ওই কক্ষের বাইরে গেলে শিক্ষক অন্য দুই ছাত্রকে তখন জাতীয় পতাকা খুলতে পাঠান। এরপর সুযোগ বুঝে একা থাকা কোমলমতি শিক্ষার্থীকে রুমে আটকে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীর চিৎকারে অন্য সহপাঠীরা ছুটে এসে দরজা খুলে ফেললে তরিকুল ইসলাম তড়িঘড়ি করে মেয়েটিকে ছেড়ে দেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের কাউকে কিছু না বলার জন্য অনুরোধ করেন। বিষয়টি পরিবার ভয়ে ও সামাজিক সম্মানের আশঙ্কায় চুপ ছিলেন। তবে ঘটনাটি পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পরে জানতে পারেন। এরপর অভিযুক্ত শিক্ষক স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শেষ পর্যন্ত শিশুটির পরিবার মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে নড়াইল সদর থানায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক মো.তরিকুল ইসলাম ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, ওই শিক্ষক ১৬ অক্টোবর থেকে সাতদিনের ছুটি নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের মাগুরা কালুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। চলতি বছরের আগস্ট থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ঘটনা জানাজানি হতেই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর সহপাঠীরা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ঘটনার পুরো বিবরণ তুলে ধরে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো.তরিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ দীর্ঘদিন ধরে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এই মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
নড়াইল সদর থানার ওসি মো.সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। আসামী গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin