বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

লোহাগড়ায় গোল্লাদোপের মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচতে চায়

মুহাম্মদ আল্-হেলাল, লোহাগড়া, নড়াইল
  • Update Time : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৩১ Time View

মুহাম্মদ আল্-হেলাল,লোহাগড়া, নড়াইল

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার উত্তরাঞ্চল জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করতে মধুমতি নদীর পশ্চিম তীরে বেড়িবাঁধ দেওয়া হয়েছে। শালনগর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের পশ্চিম পাশে রয়েছে গোল্লাদোপ যার পূর্ব দিকে রসুলপুর(রামকান্তপুর), উত্তর দিকে বাতাসী ও শিয়রবর, পশ্চিম দিকে রঘুনাথপুর, দক্ষিণ দিকে কাওনশিশা, মাধবহাটি গ্রাম। এই দোপের চারিদিকে রয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি। মধুমতি নদীতে বাড়ি ভেঙে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশ লোক এই দোপের আশে পাশে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছে। এদিকে দোপের মধ্যের জমিতে সারাবছর কোন ফসল না হওয়ায় এখানে অনেকে মাছের ঘের কেটে মাছ চাষ শুরু করেছেন। দোপের পানি যাওয়ার জন্য দোপের উত্তর দিকে আর দক্ষিণ দিকে দুটি কালভার্ট রয়েছে। দক্ষিণ দিকের কালভার্ট দিয়ে দোপের পানি মাধবহাটি, সত্রহাজারী, তেলিগাতির খাল হয়ে দেবির বিলে চলে যায়। কিন্তু ঘরবাড়ি এবং মাছের ঘের বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি কালভার্ট দিয়ে যাওয়া বাঁধা গ্রস্থ হয়ে বসতবাড়িগুলোতে বর্ষা মৌসুম এলেই পানি উঠে যাচ্ছে। বসতবাড়িতে পানি উঠে যাওয়ার কারণে বিষধর সাপের উপদ্রব দেখা যাচ্ছে ফলে এলাকাবাসী আতঙ্কগ্রস্ত। জলাবদ্ধতার ফলে ভুক্তভোগী মোঃ মুজিবুর রহমান মোল্লা, মোঃ আতিয়ার সরদার, মোঃ আনিস সরদার, মোঃ জহুর মোল্লা বলেন মাছের ঘের গুলোর মধ্যে দিয়ে পানি যাওয়ার ব্যবস্থা থাকলে আমরা আপাতত জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতাম। অন্যদিকে মৎসচাষী শেখ জিয়াউর রহমান জানান ঘেরের মধ্যদিয়ে পানি যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। এবিষয়ে আমার করার কিছু নেই। আরেক ভুক্তভোগী মোল্লা মোঃ উজ্জ্বল হোসেন লায়েব বলেন এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান দরকার। অন্য একজন ভুক্তভোগী অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন যে মধুমতি নদীতে বাড়ি জমিজমা ভেঙে যাওয়ার পর এখানে বাড়ি করলাম এখন বাড়িতে বর্ষা মৌসুম এলেই পানি উঠে যায় আর রাতে সাপের ভয়ে ঘুমাতে পারিনা। গোল্লাদোপবাসী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সুদৃষ্টি কামনা করে উক্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান চায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin