নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নিরিহ মেয়েদের বিবাহের ফাঁদ পেতে ভারতে পাচার করে তাদেরকে বিভিন্ন যৌনপল্লীতে কাজ করিয়ে টাকা ইনকাম করে। এ ভাবে ৮ টি বিবাহ করে তাদেরকে ভারতের দেহ ব্যবসায় লিপ্ত করেছে ইউসুফ মোল্যা। ভুক্তভোগী রূপা খানমকেও বিয়ের প্রস্তাব দিলে রাজি না হওয়ায় হত্যার হুমকি দিয়ে গ্রাম ছাড়া করে ইউসুফ মোল্যা(৫০)সহ সিন্ডিকেটের সদস্যরা। নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তার স্বার্থ ১৭ মে ( শনিবার) রূপা বেগম ইউসুফ মোল্যাসহ ৬ জনের নামে কালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন।

বাকিরা হলেন একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক শেখের ছেলে মান্নু শেখ (৪৫), মান্নু শেখের স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৪০), মৃত তবি শেখের ছেলে ইকবাল শেখ (৪৫), কবির শেখের ছেলে আহাদ শেখ (৩৫), মুজি শেখের ছেলে ইউনুস শেখ।
ভুক্তভোগী ও সাধারণ ডায়েরী সূত্রে জানা যায়, সন্তানদের লেখাপড়ার সুবাদে রূপা খানম নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের বুড়িখালী গ্রামে নানা বাড়ীতে অবস্থানকালে তাকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বিবাহের প্রস্তাব দেয় ইউসুফ মোল্যা। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রায়ই মেরে ফেলার হুমকি দিত। ১৬ মে (শুক্রবার) সান্ধায় অন্যান্য সস্যদের দিয়ে মারপিট করেছে তার ১০ বছরের ছেলে রাকিব ও ৫ বছর বয়সী মেয়ে মুনিয়াকে। নিজের ও বাচ্চাদের নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী পেড়লী ইউনিয়নে আশ্রয় নিয়েছেন রূপা খানম। ভয়ে গ্রামে আসতে পারছেন না
বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ইউসুফ মোল্যার সঙ্গে কথা হলে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। ওই মহিলার অনৈতিক কাজে বাঁধা দেওয়ায় আমার নামে মিথ্যা জিডি করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন একটি সাধারণ ডাইরি পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।