ডেস্ক নিউজঃ
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পেড়লী গ্রাম থেকে মিঠু ফকির (২৬) নামে হত্যা মামলার এক আসামীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ২৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) তাকে আটক করা হয়। আটক মিঠু ফকির ওই গ্রামের মইনুল ফকিরের ছেলে।
উল্লেখ্য, উপজেলার পেড়লী গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে খাদিজা বেগম(২৬) হত্যা কান্ডের শিকার হয়। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর রাতে আসামিরা খাদিজার স্বামী রমিজ শিকদারের বাড়ীতে গিয়ে জানায় খাদিজা বেগমের সাথে জুবেল শিকদারের বিয়ে হয়ে গেছে। খাদিজা বেগম'কে আমাদের কাছে দিয়ে দাও। তখন রমিজ শিকদার তার স্ত্রী খাদিজা বেগমকে তাদের সাথে দিতে না চাইলে উপস্থিত সকলের সাথে রমিজ শিকদার এর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উক্ত বিষয় নিয়ে রমিজ শিকদার প্রতিবেশী লোকজন ডাকার জন্য বাহির হয়ে গেলে খাদিজা বেগম'কে পেড়লী গ্রামের ১। জুবেল শিকদার(২৫), ২। জাহিদুল শিকদার(৩২), ৩। জহিরুল শিকদার(৪০), সর্ব পিতা- বশার শিকদার, ৪। ময়না বেগম(৫৫), স্বামী- বশার শিকদার, ৫। মুসলিমা বেগম(৪৫), স্বামী- মইনুল ফকির, ৬। মিঠু ফকির(২৬) জুবেল শিকদারের বাড়ীতে নিয়ে যায়।
অতঃপর ২৩ ডিসেম্বর সকালে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে জুবেল শিকদারের ঘরের মধ্যে খাদিজা বেগমকে আসামিরা ডাসা/খিল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে গুরুতর জখম করে এবং ২৫ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা মোঃ আব্দুল্লাহ মোল্যা বাদী হয়ে কালিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অত্র এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের জন্য তৎপর হয় পুলিশ। কালিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কিশোর রায় এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহাদারা খান (পিপিএম) এর তত্ত্বাবধানে গোয়েন্দা টিমের এসআই(নিঃ) গৌতম কুমার পাল সঙ্গীয় ফোর্সসহ এজাহার নামীয় ৬ নং আসামি মিঠু ফকিরকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।