মোঃ রাসেল হুসাইন, নড়াইল।
রঙিন আলোর উৎসব যেন গোটা নড়াইল জেলা জুড়ে। সড়কের দু'পাশ সেজেছে আলোর মিছিলে। প্রতিটি মন্ডপের প্রবেশ পথে নির্মাণ করা হয়েছে আকর্ষণীয় তোরণ। মন্ডপ থেকে ভেসে আসছে ঢাকের বাদ্য, ধুপের ধোঁয়া, শঙ্খ আর উলুধ্বনি। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে উৎসবের আমেজ। নড়াইলের শতাধিক কাত্যায়নী পূজা মণ্ডপের একই চিত্র। সঙ্গে নাচ-গান-আরতি আর দেবী বন্দনা। হিন্দু সম্প্রদায়ের বৃহৎ এ উৎসবে মেতে উঠেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিশু, কিশোরসহ সব বয়সী মানুষ। শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকাল থেকে রাত অব্দি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাত্যায়নী উৎসবে যোগ দেন নড়াইল জেলা মতুয়া মিশনের সভাপতি অসিম কুমার পাল।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করতে তিনি প্রতিটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শ্রী শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনের পক্ষে আর্থিক অনুদান তুলে দেন আয়োজক কর্তৃপক্ষের হাতে। এসময় তার সাথে ছিলেন মতুয়া ভক্ত দাস শিলালি,মতুয়া বাসুদেব পাল,মতুয়া সুজিত বিশ্বাস,মতুয়া লিটন বিশ্বাস,মতুয়া দেবাশীষ বিশ্বাস,মতুয়া প্রসেনজিৎ বিশ্বাস,মতুয়া নিতাই বিশ্বাস,মতুয়া বিধান সরকার,মতুয়া বিপুল পাল,মতুয়া বিধান পাল,মতুয়া বিদ্যুৎ বিশ্বাস,মতুয়া পরিমল বক্সী,মতুয়া হিরামন বিশ্বাস,মতুয়া কুমারেশ রায়,মতুয়া হৃদয় মোহন্ত,মতুয়া পরিমল বিশ্বাস,মতুয়া তারক সূত্রধর,মতুয়া রামপাল,মতুয়া অর্কো পাল,মতুয়া সন্জু পাল সহ উপস্থিত ছিলেন মতুয়া মিশনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, নড়াইল জেলার শতাধিক মণ্ডপে উদযাপন করা হচ্ছে কাত্যায়নী উৎসব। এ বছর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রতিটি পূজা মন্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।
এ সময় প্রধান অতিথি অসীম কুমার পাল বক্তব্যকালে বলেন হিদু সমাজর বড় অংশ হচ্ছে মতুয়া সম্প্রদায়। মতুয়ারা কখনও অশান্তি সমষ্টি করে না। মতুয়াদর ঐক্যবদ্ধ থেকে সমাজ ও দেশের উনয়নমূলক কাজ করার অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন মতুয়া মিশনেকে নিয়ে যদি কেউ কুটক্তি করে তাকে কঠোর ভাবে জবাব দেওয়া হবে, সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে তার বক্তব্য শেষ করেন।