ডেস্ক নিউজঃ
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কলাবাড়ীয়া ইউনিয়নের আইচ পাড়া ও বেলেডাঙ্গা গ্রামে ৬১ টি বৈদ্যুতিক মিটার স্থাপনে অতিরিক্ত অর্থ হাতানোর বিষয়ে বড়নাল মধুমতি কারিগরি কলজের ইংরেজি প্রভাষক দিপংকর বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে " কালিয়ায় বৈদ্যুতিক মিটার বাবদ অতিরিক্ত অর্থ হাতানোর অভিযোগ " শিরোনামে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকাসহ নড়াইলের আমিন টিভি অনলাইনে ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। চলতি মাসের ১৫ থেকে ২৪ অক্টোবর এ নিউজ প্রকাশিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০ অক্টোবর ভুক্তভোগীরা ওই প্রভাষকের দুর্নীতির বিচার চেয়ে ইউএনও কালিয়া ও ওই কলেজের সভাপতি মোঃ রাশেদুজ্জামান ও কালিয়া পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম মোঃ বনিয়ার রহমানের নিকট একটা অভিযোগ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কালিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম বনিয়ার রহমান উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলেন, যেহেতু ভুক্তভোগীরা ইউএন'র কাছে অভিযোগ দিয়েছেন, সে ক্ষেত্রে ইউএনও আমাদের সহযোগীতা চাইলে আমরা সহযোগীতা করবো। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা চাইলে আইনগত ব্যবস্থাও নিতে পারেন।
এ বিষয়ে ইউএনও কালিয়া মোঃ রাশেদুজ্জামান অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, দীপংকর বিশ্বাস বিদ্যুৎ অফিসের দালালীর স্বার্থে প্রভাবশালীদের হাতে রেখে বিগত সরকারের আমলে ২০১৯ সালে পল্লী বিদ্যুৎ শতভাগ করণের কাজে সম্পৃক্ত হয়ে প্রতি মিটারে সরকারী খরচ ৫৬৫ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৫/৬ হাজার টাকার নিচে কাউকে মিটার দেননি বলে অভিযোগ আসে। সহজ সরল গ্রামবাসীকে নানাভাবে হুমকি ও কথার জালে ফেলে এ অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। তবে দিপংকর বিশ্বাস ৬১ জন গ্রাহকের কাছ থেকে গড়ে ৪৫৩৩ টাকা নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।