ডেস্ক নিউজঃ
নড়াইলের কালিয়ায় চাঁদা না দেওয়ায় হামিদপুর ইউনিয়নের নবগঙ্গা নদীর খেয়া ঘাট (লীজ কৃত) জোর পূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। বিগত ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ৭ টার দিকে ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাসী দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র সহকারে জোরপূর্বক এ ঘাট দখল করে নেয়। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নড়াইল জেলা ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ঘাট মালিক পার-বিষ্ণুপুর গ্রামের দুধো মোল্যার ছেলে হাসমত মোল্যা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাসমত মোল্যা বাংলা ১৪৩১ সালে ১লা বৈশাখে কালিয়া উপজেলা পরিষদ হতে বিষয়ে বর্ণিত খেয়াঘাট এক বছরের জন্য সর্বোচ্চ দরদাতা নিযুক্ত হয়ে ৬ লক্ষ টাকায় ইজারা গ্রহন করেন। অতঃপর নিজে ও বংশীয় লোকজন নিয়মিত ভাবে সরকার নির্ধারিত হারে ঘাট পরিচালনা করে আসছেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে পার্শ্ববর্তী বুড়ীখালী গ্রামের আক্কাস শেখের ছেলে আকছাদ শেখ, মাকছুদ শেখ, সামছু শেখ, মৃত রাজ্জাক শেখের ছেলে মান্না শেখ ও লাল্টু শেখ, কবির শেখের ছেলে আহাদ শেখ ও শহীদুল শেখসহ ৩০/৩৫ জন সন্ত্রাসী পিস্তল, রামদা, ছ্যানদা, চাইনিজ কুড়াল, শর্টগান, লোহার রড ইত্যাদি মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র সহকারে হামিদপুর খেয়া ঘাটে উপস্থিত হয়ে খেয়া ঘাট চালাতে হলে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলে, হুমকি দেয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় অভিযুক্তরা ঘাট মালিককে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দিয়ে আহাদ ও আকছাদ শেখের কাছে থাকা পিস্তল ও শর্টগান দিয়ে ফাঁকা আওয়াজ করে জনমনে আতংক সৃষ্টি করলে প্রান ভয়ে ভুক্তভোগীরা পালিয়ে যান। ভুক্তভোগীরা সন্ত্রাসীদের ভয়ে আতংকগ্রস্থ্য এবং বর্তমানে অভিযুক্তরা এলাকার বিভিন্ন বাড়ীতে লুটপাট করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন এবং উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের নিকট হতে বৈধ ইজারাকৃত খেয়া ঘাট দখল মুক্ত করার দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আহাদ শেখের সাথে কথা হলে বলেন, বিষয়টি গ্রামের মাতুব্বরেরা বসে মীমাংসা করে দিয়েছে। এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নড়াইল জেলা ক্যাম্পের ক্যাপটেন জামানের সাথে কথা হলে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।