বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
Title :
নড়াইলের বড়দিয়া হাইস্কুল মার্কেটে হোটেল অপসারণের নির্দেশ দিলেন ইউএনও লোহাগড়া। কালিয়ায় ১৪৪ ধারা চলাকালে ঘর নির্মাণের অভিযোগ কলোড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস কালিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ তিনজন আটক নড়াইলে জামাত নেতার কয়লা ভাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশী কালিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে চার জনের জেল ও জরিমানা লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন কালিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, যশোরে গেলেন ৪৫ রোগী কালিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

রাস্তা নির্মাণে বাঁধা ভোগান্তিতে বাসিন্দারা।

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪
  • ৪৪৩ Time View

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের খাগবাড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ হতে বাবু পরিমল চৌধুরী বাড়ি পর্যন্ত সংযোগ সড়ক চলাচলের রাস্তা নির্মাণে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মিলন হালদারের বিরুদ্ধে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, খাগবাড়ি গ্রাম নিম্ন এলাকা হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পানি জমায় চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় এলাকার বাসিন্দাদের। ভোগান্তির কথা চিন্তা করে পরিবারের সদস্য এবং পাশের বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য নিজ জমিতে একটি রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেন যজ্ঞেশ্বর চৌধুরী। ইতিমধ্যে রাস্তা নির্মাণের জন্য মাটি ফেলার কাজ শুরু করেন এলাকাবাসী। কিন্তু সরকারি জমির রামশীল খাগবাড়ি মৌজা নং ৬০,দাগ নং -১৭২৯ নিজের জায়গা দাবি করে নির্মাণকাজে বাঁধা দেন মিলন হালদার।এতে রাস্তা নির্মাণের কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ভোগান্তি পড়ে বাসিন্দারা।

যজ্ঞেশ্বর চৌধুরী বলেন, বর্ষা মৌসুমে চলাচলের সময় প্রায় ২০০পরিবার পানি বন্দি হয়ে ভোগান্তি হওয়ার কারনে আমার ৮০০ফিট জমির ওপর দিয়ে একটি রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেই। ইতিমধ্যে মাটি ফেলার কাজও শুরু করি। কিন্তু মিলন হালদার নিজের জায়গা দাবি করে রাস্তাটির কাজ করতে দিচ্ছেন না। এমনি আদালতেও একটি মিথ্যা মামলা করেছেন। এতে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ দ্রুত যাতে সড়কটি নির্মাণ করে ভোগান্তি কমানোর জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি।

যজ্ঞেশ্বর চৌধুরী তিনি আরো বলেন, রাস্তাটি সরকারি জায়গার উপর দিয়ে ৩০০ফিট হয়ে আমাদের জমির ওপর দিয়ে করা হচ্ছে। রাস্তাটি হলে এখানকার মানুষের উপকার হবে। রাস্তাটির কিছু অংশ সরকারি খাস জমির ওপর দিয়ে যাচ্ছে। মিলন হালদার সরকারি খাস জমি আনুমানিক দীর্ঘ ৫০বছর ধরে ভোগদখল করেন। তিনি তা নিজের জমি দাবি করে রাস্তাটির কাজ বন্ধ করে দেন। আমি প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, দ্রুত বিষয়টি সুরাহা করে রাস্তা নির্মাণের সকল বাঁধা যেন দূর করা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে অভিযুক্ত মিলন হালদার সঙ্গে যোগাযোগে চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করার সম্ভব হয়নি।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin