
শেখ মিল্টন,জেলা প্রতিনিধি,নড়াইল।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মশাগুনি গ্রামের মো. নাজিম উদ্দিন দেওয়ানকে অপহরণ ও হত্যার চেষ্টা মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগি মো. নাজিমউদ্দিন দেওয়ান ও তাঁর পরিবার।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪ টায় নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগি মো. নিজামউদ্দিন দেওয়ান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি গত ১৯ জানুয়ারি আলফাডাঙ্গা থানাধীন গোপালপুর বাজার থেকে সন্ধ্যার সময় মোটরসাইকেলযোগে কাশিয়ানী হয়ে লোহাগড়া নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলাম। কাশিয়ানী বড়ভাগ ত্রিমোহনী খালের পশ্চিমে রাস্তার উপর পৌঁছালে রাস্তার দুই পাশ হতে দুইজন পুলিশের পোশাক পরিহিত ব্যক্তি আমাকে দাঁড়াতে বলে তখন আমি আমার মোটরসাইকেল ব্রেক করে দাঁড়ায়।
এসময় একটি কালো মাইক্রোর ভিতর থেকে আসামী নিজাম(৫৮) পিতা কুটি মিয়া ফকির, বায়জিদ(৩৮) পিতা নিজাম উদ্দীন,উভয় সাং বাকা, মঈনুল(৫৬) পিতা ছবেদ ফকির,সাদ্দাত(২৫) পিতা মাঈনুল উভায় সাং ছাড়া ও গোবিন্দ(৫৫) পিতা কালিপদ সাহা সাং পোদ্দার পাড়া সর্ব থানা লোহাগড়া জেলা নড়াইল সহ আরো ৩/৪ জন লোক আমার মোটরসাইকেলটি এবং আমার কাছে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে আমাকে টেনে হেচড়ে মাইক্রোতে তুলে মুখ, হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধোর করে। এভাবে তিন রাত তিন দিন বিভিন্ন স্থানে রেখে মারধর ও শারীরিক নিযার্তন করে। এতে আমি অজ্ঞান হয়ে যায়। তাঁরা মৃত ভেবে আমাকে বস্তার ভিতর ভরে মুখ বেঁধে গত ২২ জানুয়ারি রাতে আলফাডাঙ্গা থানাধীন সিরাজউদ্দিন মহিলা কলেজ বাকাইল ব্রিজের পাশে ভাঙনে ফেলে চলে যায়।
পরে ২৩ জানুয়ারি ভোরে রাস্তার পাশ দিয়ে লোকজন যাচ্ছিল। তখন আমার আওয়াজ শুনে বস্তা দেখে লোকজন দাঁড়িয়ে যায় এবং আলফাডাঙ্গা থানায় খবর দেয় পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করে। আমি সুস্থ হয়ে ২৫ জানুয়ারি আলফাডাঙ্গা থানায় পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা করি। মামলা নং-৮। আমি সরকারের কাছে আমার প্রতি অন্যায়ের বিচার চাই, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।